নিজস্ব প্রতিবেদক : ‘আম্মু কুকুরের বাচ্চাগুলোকে বস্তায় ভরে পুকুরে ফেলে দিয়েছে।’ একথা শুনে নয়ন স্যার দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন। পরে পুকুরে গিয়ে দেখি মুখ বাঁধা বস্তা ভাসছে। তুলে এনে বস্তার মুখ খুলে দেখা যায় ছানাগুলো মরে আছে।
এদিকে, এ ঘটনার ছবিসহ সংবাদ দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ফেসবুক পোস্টেই কুকুর হত্যাকারীর বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করতে থাকেন অনেকেই।
এ বিষয়ে সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (এডিসি) সুবীর কুমার দাস ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘অবশেষে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং আসামি গ্রেপ্তারও হয়েছে। অশেষ কৃতজ্ঞতা মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা স্যার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আমার প্রিয় ব্যাচমেট প্রণব দাদা, ঈশ্বরদী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আকলিমা আপু, অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তারা যারা এই যুদ্ধে সবসময় আমার পাশে ছিলেন, ঈশ্বরদী অফিসার ইনচার্জ, মিডিয়ার সহকর্মীরা এবং সারা দেশবাসীর প্রতি এবং সবশেষে যার কথা না বললেই নয় রাকিবুল আমিল ভাই ও তার টিম। আর যেন কোনো অবলা প্রাণীর ক্ষতি না হয়। এই পৃথিবী আমাদের সবার।’
ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, আসামি নিশি রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে আসামিকে পাবনা জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।