1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
এএসআইকে ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগ, দুজনের বিরুদ্ধে মামলা - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন

এএসআইকে ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগ, দুজনের বিরুদ্ধে মামলা

  • আপডেট সময় : শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: ঝালকাঠি সদর থানার এক সহকারী উপপরিদর্শককে (এএসআই) ফাঁসানোর চেষ্টা এবং টাকা নেওয়ার অভিযোগে দুজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ঝালকাঠি সদর থানায় মো. আজাদ খান নামে এক ব্যক্তি মামলাটি করেন।

মামলায় মো. সোহাগ মোল্লা ওরফে মোল্লা শাওন এবং আব্দুর রহিম মুন্নাকে আসামি করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ২১১, ৪০৬, ৪২০ ও ৫০৬ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাদী আজাদ খান নারায়ণগঞ্জে একটি রডের দোকানে কাজ করেন। তার দাবি, তিনি কিংবা তার পরিবারের কোনো সদস্য ঝালকাঠি কৃষি ব্যাংকের কোনো শাখা থেকে ঋণ নেননি।

এরপরও তার বাড়িতে ব্যাংকের ঋণসংক্রান্ত কয়েকটি নোটিশ আসে। পরে তিনি জানতে পারেন, ওই ঋণসংক্রান্ত মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে।

এজাহারে আজাদ খান বলেন, গত ১৭ সেপ্টেম্বর তিনি চাচাতো ভাই খায়রুল ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে আদালতে গিয়ে মামলার নথি যাচাই করেন। সেখানে মামলায় উল্লেখ করা ঠিকানার সঙ্গে তার প্রকৃত ঠিকানার মিল নেই বলে দেখতে পান। বিষয়টি সমাধানের জন্য পরিচিতজনের মাধ্যমে সোহাগ মোল্লার সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি।

পরে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সোহাগের সঙ্গে তার দেখা হয়। এ সময় যাতায়াত খরচ বাবদ তার কাছ থেকে ১ হাজার টাকা নেওয়া হয় বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে আজাদের বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি নিয়ে ভিডিও ধারণ করা হয়। এরপর তার কাছে আরও ২১ হাজার টাকা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এজাহারে বাদী আরও অভিযোগ করেন, তখন তিনি ২ হাজার টাকা দেন এবং বাকি টাকা পরে দেওয়ার কথা জানান। পরে তাকে ঝালকাঠিতে আসতে বলা হয়। একপর্যায়ে তাকে ও তার চাচাতো ভাইকে আদালতের পাশের একটি পুকুরপাড়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

সেখানে বাকি টাকা দাবি করার পাশাপাশি এএসআই মোহিত চন্দ্র হালদারকে ফাঁসানোর বিষয়ে আসামিরা আলোচনা করেন বলে অভিযোগ করেন আজাদ। পরে তার সামনেই ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে ফোন করে তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা, খালে পড়ে আহত হওয়া এবং ঘুষ নেওয়ার বিষয়ে অভিযোগ করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাদীর দাবি, এরপর তিনি একটি এটিএম বুথ থেকে ২৫ হাজার টাকা উত্তোলন করেন। পরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে আসামিদের একজনকে ১৯ হাজার টাকা দেন।

তাকে হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নেওয়া এবং নির্দিষ্ট বক্তব্য দেওয়ার জন্য বলা হয় বলেও এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে তার বক্তব্য ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের কথা বলা হয়। বাদীর অভিযোগ, এএসআই মোহিত চন্দ্র হালদারকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যেই এসব কর্মকাণ্ড করা হচ্ছিল।

এজাহারে সোহাগ মোল্লা নিজেকে সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ফেসবুক পেজ পরিচালনা করেন বলে জানা গেছে। তবে কোনো সংবাদপত্র বা প্রতিষ্ঠিত গণমাধ্যমে তার কর্মরত থাকার তথ্য এজাহারে উল্লেখ নেই।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে সোহাগ মোল্লা ও আব্দুর রহিম মুন্নার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, ‘বাদীর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হবে।

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network