1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
তেলের দামে আগুন, রাজনৈতিক দলগুলোর তোপের মুখে সরকার - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বরিশালে চাঁদাবাজি বন্ধের আশ্বাসে ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার বরিশালে সন্ত্রাসবিরোধী মিছিলে অসুস্থ হয়ে যুবদল নেতার মৃত্যু বরিশালে চাঁদাবাজির অভিযোগে পাইকারি কাঁচাবাজারে বেচাকেনা বন্ধ ঢাকা-বরিশাল রুটে লঞ্চ ভাড়া বাড়ল ১৭-২০ শতাংশ ৪৩ বছরেও জাতীয়করণ হয়নি বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ, ঝুলে আছে সরকারি হওয়ার স্বপ্ন রহমতপুর ইউপি নির্বাচন: পশ্চিম রহমতপুরে শিমুল শিকদারের গণসংযোগ সংবাদের পর নড়েচড়ে বসল প্রশাসন, আশ্রয়ণ প্রকল্পের সাঁকো পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ ভাণ্ডারিয়ায় বিভিন্ন উন্নয়নকাজের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মনজুর পরিকল্পিত সন্ত্রাসের প্রতিবাদে বাবুগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল কাঠালিয়ায় সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা দাবি: মানববন্ধনে প্রতিবাদ

তেলের দামে আগুন, রাজনৈতিক দলগুলোর তোপের মুখে সরকার

  • আপডেট সময় : সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি এক লাফে ২০ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। তারা অবিলম্বে বর্ধিত দাম প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। দলগুলোর নেতারা বলছেন, জ্বালানির দাম বাড়ায় পরিবহন ও উৎপাদন ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি এর প্রভাব পড়তে পারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারেও।

রবিবার জারি করা সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সোমবার থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। এখন ডিজেল প্রতি লিটার ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৫৫ টাকা, পেট্রোল ১৬০ টাকা এবং অকটেন ১৬৫ টাকা। আগের তুলনায় প্রতিটি জ্বালানি পণ্যের দাম ২০ টাকা করে বেড়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম ও পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় আমদানি ব্যয় বেড়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) লোকসান এবং জ্বালানি সরবরাহের ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে দাম সমন্বয় করা হয়েছে।

‘কৃষি ও পরিবহন ব্যয় বাড়বে’

বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল—বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, এমনিতেই দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষ চাপে রয়েছে। এর মধ্যে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ফলে কৃষি ও গণপরিবহনসহ বিভিন্ন খাতে ব্যয় আরও বাড়বে।

তিনি বলেন, ডিজেলের দাম বৃদ্ধির সরাসরি প্রভাব সেচ ও কৃষি উৎপাদন ব্যয়ে পড়তে পারে। কেরোসিনের দাম বাড়ায় নিম্নআয়ের মানুষের ওপরও বাড়তি চাপ তৈরি হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

‘জনগণের পকেট কাটার নীতি’

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন বলেন, মূল্যস্ফীতির চাপে থাকা মানুষের ওপর জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত বাড়তি বোঝা তৈরি করবে।

তাঁর ভাষ্য, জ্বালানির দাম বাড়লে চাল, ডাল, সবজি ও অন্যান্য মৌলিক পণ্যের দামেও প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রভাব পড়তে পারে। তিনি বর্ধিত দাম প্রত্যাহারের পাশাপাশি গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির সংকট নিরসনের দাবি জানান।

‘বাজার থেকে উৎপাদন—সবখানে প্রভাব’

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহমুদুল হাসান মানিক ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নুর আহমদ বকুল পৃথক বিবৃতিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

তাঁরা বলেন, বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট ও মূল্যস্ফীতির মধ্যে নতুন করে জ্বালানির দাম বাড়ানো হলে পরিবহন ব্যয় বাড়বে। এর প্রভাব পড়বে পণ্য সরবরাহ ও বাজারদরেও। জ্বালানি খাতে একটি পূর্ণাঙ্গ নীতি গ্রহণের আহ্বান জানান তাঁরা।

‘বিপিসি লাভে থাকলে দাম বাড়ানোর প্রয়োজন কী’

বাসদ (মার্কসবাদী)-এর সমন্বয়ক মাসুদ রানা জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে বলেন, এতে কৃষকের সেচ খরচ, শিল্পপণ্যের উৎপাদন ব্যয়, যাতায়াত ও গৃহস্থালি খরচ বাড়তে পারে।

তিনি দাবি করেন, বিপিসি গত কয়েক বছর মুনাফায় থাকার পরও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। তাঁর প্রশ্ন, সংস্থার উদ্বৃত্ত অর্থ ব্যবহার করে সংকট মোকাবিলায় ব্যবস্থা নেওয়া হলো না কেন।

তিনি জ্বালানি খাতে সরকারি কর-ভ্যাট পুনর্বিবেচনা, বিকল্প অর্থায়ন এবং বর্ধিত দাম প্রত্যাহারের দাবি জানান।

আন্তর্জাতিক বাজারের চাপের কথাও বলছে সরকার

সরকারি ব্যাখ্যায়, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় দেশের আমদানি ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতার কারণে বাংলাদেশসহ আমদানিনির্ভর দেশগুলোতে ব্যয়ের চাপ তৈরি হয়েছে।

নতুন দামে ডিজেল ১৩৫ টাকা, পেট্রোল ১৬০ টাকা, অকটেন ১৬৫ টাকা ও কেরোসিন ১৫৫ টাকা হওয়ায় রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি অর্থনীতিবিদদেরও পরিবহন, উৎপাদন ও মূল্যস্ফীতির ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে এখন মূল দাবি—বর্ধিত দাম প্রত্যাহার করে সাধারণ মানুষের ওপর মূল্যস্ফীতির চাপ কমানোর উদ্যোগ নেওয়া।

 

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network