ঝালকাঠি সংবাদদাতা: ঝালকাঠি সদর উপজেলার গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি হুমায়ূন খন্দকারের ইন্ধনে বসতঘর ভাঙচুর ও দখলচেষ্টার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী সৈয়দ সাইফুল ইসলাম (৫২)। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে ঝালকাঠি রিপোর্টার্স ক্লাবের হলরুমে আয়োজিত লিখিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন। সাইফুল ইসলাম গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের উদচড়া গ্রামের মৃত সৈয়দ আবদুস ছত্তারের ছেলে। লিখিত বক্তব্যে সাইফুল ইসলাম বলেন, একই বাড়ির বাসিন্দা সৈয়দ শাহজাহানের ছেলে মো. এখলাছ খন্দকার ওরফে রাব্বি (৪২)-এর সঙ্গে জমিজমা নিয়ে প্রায় দুই বছর ধরে তার বিরোধ চলে আসছে। তার অভিযোগ, বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষ তার মালিকানাধীন গাছ কেটে নেয়, তাকে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেয় এবং বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি...
ঝালকাঠি সংবাদদাতা: ঝালকাঠি সদর উপজেলার গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি হুমায়ূন খন্দকারের ইন্ধনে বসতঘর ভাঙচুর ও দখলচেষ্টার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী সৈয়দ সাইফুল ইসলাম (৫২)।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে ঝালকাঠি রিপোর্টার্স ক্লাবের হলরুমে আয়োজিত লিখিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন। সাইফুল ইসলাম গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের উদচড়া গ্রামের মৃত সৈয়দ আবদুস ছত্তারের ছেলে।
লিখিত বক্তব্যে সাইফুল ইসলাম বলেন, একই বাড়ির বাসিন্দা সৈয়দ শাহজাহানের ছেলে মো. এখলাছ খন্দকার ওরফে রাব্বি (৪২)-এর সঙ্গে জমিজমা নিয়ে প্রায় দুই বছর ধরে তার বিরোধ চলে আসছে। তার অভিযোগ, বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষ তার মালিকানাধীন গাছ কেটে নেয়, তাকে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেয় এবং বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, এসব ঘটনার প্রতিবাদ করায় তাকে মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করা হয়। এ ঘটনায় তিনি গত ২৫ মার্চ ২০২৬ তারিখে ঝালকাঠি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন, যার নম্বর ১০০৭।
সাইফুল ইসলামের দাবি, পরবর্তীতে প্রতিপক্ষের লোকজন তার প্রায় চার হাজার ইট ও এক বান্ডিল পুরোনো টিন নিয়ে যায়। এছাড়া গত ২৩ সেপ্টেম্বর তার বসতঘরে অতর্কিত হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয় এবং ঘর দখলের চেষ্টা করা হয়। এতে অর্ধলক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে সাইফুল ইসলাম আরও অভিযোগ করেন, গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি হুমায়ূন খন্দকারের পরামর্শ ও ইন্ধনে এখলাছ খন্দকার ওরফে রাব্বি এসব কর্মকাণ্ড চালাচ্ছেন। তিনি আরও দাবি করেন, এখলাছ খন্দকারের ছেলে ইমন পুলিশে চাকরি করার সুবাদে তার প্রভাব খাটিয়ে তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন এবং থানা পুলিশ দিয়ে ক্ষয়ক্ষতি করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
তার অভিযোগ, এখলাছ খন্দকার ও তার পরিবারের সদস্যরা কোনো সালিশ-বিচারও মানছেন না। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত হুমায়ূন খন্দকার ও এখলাছ খন্দকারের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী সাইফুল ইসলাম তার বসতঘর ভাঙচুর, দখলচেষ্টা ও অন্যান্য অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। একই সঙ্গে তিনি বিষয়টি সংবাদমাধ্যমে তুলে ধরার জন্য সাংবাদিকদের প্রতি অনুরোধ জানান।