ভাণ্ডারিয়ায় ১০ মামলার আসামি সুমনের পর মা-কেও কুপিয়ে জখম
আপডেট সময় :
শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬
ভাণ্ডারিয়ায় ১০ মামলার আসামি সুমনের পর মা-কেও কুপিয়ে জখম
ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি: পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় চাঁদা দাবি ও পূর্বশত্রুতার জেরে ১০ মামলার আসামি মো. শহিদুল ইসলাম সুমন হাওলাদার (৩৫) কুপিয়ে জখম হওয়ার একদিনের মাথায় এবার তার মা মোসা. খাদিজা বেগমকে (৪৮) এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার মাটিভাঙ্গা এলাকায় নিজ বসতবাড়িতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহত খাদিজা বেগম মাটিভাঙ্গা এলাকার মো. আলী আকবর হাওলাদারের স্ত্রী এবং ডাকাতি ও হত্যাসহ ১০টি মামলার আসামি সুমনের মা। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক বছর আগে মাটিভাঙ্গা এলাকায় মো. আবু সালেহ নামের এক ব্যক্তি নির্মমভাবে খুন হন। ওই হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের...
ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি: পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় চাঁদা দাবি ও পূর্বশত্রুতার জেরে ১০ মামলার আসামি মো. শহিদুল ইসলাম সুমন হাওলাদার (৩৫) কুপিয়ে জখম হওয়ার একদিনের মাথায় এবার তার মা মোসা. খাদিজা বেগমকে (৪৮) এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার মাটিভাঙ্গা এলাকায় নিজ বসতবাড়িতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহত খাদিজা বেগম মাটিভাঙ্গা এলাকার মো. আলী আকবর হাওলাদারের স্ত্রী এবং ডাকাতি ও হত্যাসহ ১০টি মামলার আসামি সুমনের মা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক বছর আগে মাটিভাঙ্গা এলাকায় মো. আবু সালেহ নামের এক ব্যক্তি নির্মমভাবে খুন হন। ওই হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের তীব্র বিরোধ ও শত্রুতা চলে আসছিল।
গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) একটি ড্রেজার থেকে চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে ড্রেজার মালিক সোহেল ও তার কর্মচারীদের সাথে সংঘর্ষে সুমন হাওলাদার গুরুতর আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সুমনকে আহত অবস্থায় গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুলিশ পাহারায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার সকালে খাদিজা বেগম নিজ বাড়িতে একা থাকার সুযোগে প্রতিপক্ষ নিহত আবু সালেহের ছোট দুই ভাই মো. অলি হাওলাদার (২৫) ও মো. রুবেল হাওলাদার (৩০) ধারালো অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। তারা খাদিজা বেগমকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে স্বজন ও স্থানীয়রা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ভাণ্ডারিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে তার অবস্থা আশঙ্কা জনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ভাণ্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হসান জানান, ভাণ্ডারিয়া থানার ওসি দেওয়ান জগলুল হাসান জানান, আগের একটি হত্যা মামলাকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আহত পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে তদন্তসাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।