নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: পাবনা সদরের ভাঁড়ারা ইউনিয়নে মধ্যরাতে মাদরাসার এক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। তৎক্ষণাৎ অভিযুক্ত ওই শিক্ষককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে মাদরাসায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে ইউনিয়নের দড়িভাউডাঙ্গার পদ্মা হাসপাতালের পাশে নুরানী মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম আবু ইউসুফ প্রামানিক। তিনি ওই মাদরাসার পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন। তিনি পার্শ্ববর্তী সাদুল্লাহপুর ইউনিয়নের খালিশপুরের বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ৫ বছরের বেশি সময় ধরে ভাঁড়ারার দড়িভাউডাঙ্গা এলাকায় ওই মাদরাসা পরিচালনা করছিলেন ইউসুফ প্রামানিক। মাদরাসায় শিক্ষার্থীদের আবাসিক ব্যবস্থা থাকায় স্ত্রীকে নিয়ে তিনিও মাদরাসায় থাকতেন। বৃহস্পতিবার তার স্ত্রী বাসায় যাওয়ায় ওইদিন রাতে তিনি একাই ছিলেন। মাদরাসার নাজেরা বিভাগের এক ছাত্রী রাতে বাইরে বের হলে তাকে রুমে টেনে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টা চালান ওই অভিযুক্ত।
এক পর্যায়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মাদরাসা থেকে বের হয়ে আসলে বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যে জানাজানি হয়। পরে স্থানীয়রা মাদরাসায় জড়ো হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে পুলিশে খবর দেন। এ সময় মাদরাসায় থাকা শিক্ষার্থীদের রাতেই অভিভাবকদের জিম্মায় দেওয়া হয়। এদিকে পুলিশ অভিযুক্তকে আটক করে আনার পরে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ওই মাদরাসায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে বলেও জানা গেছে।
পাবনা সদর থানার ওসি (তদন্ত) সঞ্জয় কুমার সাহা বলেন, রাতে খবর পেয়ে তৎক্ষণাৎ অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে আনা হয়েছে। ভুক্তভোগী ছাত্রীর পরিবার লিখিত অভিযোগ দিচ্ছেন। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
মাদরাসা ভাঙচুর অগ্নিসংযোগের ব্যাপারে পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে আনার পর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটছে। তবে এখন ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।