1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
ভোলার গ্যাস এলএনজি হিসেবে আনার উদ্যোগে কতটা লাভজনক - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন

ভোলার গ্যাস এলএনজি হিসেবে আনার উদ্যোগে কতটা লাভজনক

  • আপডেট সময় : বুধবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

ডেস্ক সংবাদ : ভোলার গ্যাস সিএনজি আকারে মূল ভূখণ্ডে সরবরাহে বেসরকারি অপারেটর ব্যর্থ হওয়ায় সরকার এখন তা এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) হিসেবে আনার উদ্যোগ নিয়েছে। যদিও উচ্চ ব্যয়ের কারণে এটি বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক না-ও হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) গণশুনানিতে অংশীজনরা বিকল্প হিসেবে ভোলায় বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করে মূল ভূখণ্ডে বিদ্যুৎ সরবরাহ অথবা ওই গ্যাস ব্যবহার করে রপ্তানিমুখী শিল্প গড়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

 

গণশুনানিতে ভোলা থেকে বরিশাল হয়ে খুলনা ও পদ্মা সেতু দিয়ে পাইপলাইনের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সংযোগের পরিকল্পনা থমকে থাকায় হতাশা প্রকাশ করা হয়।

 

ভোলার গ্যাস এলএনজি আকারে শিল্প ও ক্যাপটিভ পাওয়ারে ব্যবহারের জন্য দাম নির্ধারণ করতে বিইআরসি এই শুনানির আয়োজন করে। জ্বালানি বিভাগের নির্দেশে পেট্রোবাংলাসহ তিতাস ও সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিইআরসির কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম ৪৭ টাকা ৫০ পয়সা প্রস্তাব করেছে। এটি বর্তমানে ইনট্রাকো সিএনজি হিসেবে যে দামে গ্যাস সরবরাহ করছে, তার সমান।

 

শুনানিতে অংশীজনরা এত উচ্চ দাম রাখার বিরোধিতা করে বলেন, বর্তমানে পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রতি ঘনমিটার গ্যাস ৩০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এত বেশি দামে গ্যাস কেনা তাদের জন্য লাভজনক হবে না।

 

ভোলার শাহবাজপুর গ্যাসক্ষেত্রের ছয়টি কূপ থেকে বর্তমানে দৈনিক ১২০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) গ্যাস উৎপাদিত হচ্ছে। স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পর ৩০ এমএমসিএফডি গ্যাস উদ্বৃত্ত থাকে। এ ছাড়া ভোলা নর্থ ও ইলিশা ক্ষেত্র দুটির আরও ৬০ এমএমসিএফডি উৎপাদন ক্ষমতা থাকলেও তা অব্যবহৃত পড়ে আছে।

 

বিপিডিবি প্রতিনিধি বলেন, এলএনজি বা সিএনজি আকারে গ্যাস আনার চেয়ে ভোলায় বিদ্যুৎকেন্দ্র করে বিদ্যুৎ আনা বেশি সাশ্রয়ী। প্রতি ঘনমিটার গ্যাস দিয়ে ৪-৫ ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। সেই বিদ্যুৎ ঢাকায় আনতে সঞ্চালন ব্যয় হবে ইউনিটপ্রতি ১ টাকা ২৪ পয়সা। অন্যদিকে এলএনজি আকারে গ্যাস আনতে খরচ হবে প্রতি ঘনমিটারে ২৯ টাকা ৯০ পয়সা।

 

বিকেএমইএর পরিচালক মো. জামাল উদ্দিন মিয়া বলেন, গ্যাসের দাম বারবার বাড়ায় শিল্প টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যে ৩০০ কারখানা বন্ধ হয়েছে, আরও ৩০০ ঝুঁকিতে আছে।

 

বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, ভোলা-বরিশাল পাইপলাইন নির্মাণ কারিগরিভাবে চ্যালেঞ্জিং হলেও এটি অগ্রাধিকার হিসেবে রয়েছে। ভোলার গ্যাস উৎপাদন ৩৫০-৩৮০ এমএমসিএফডি ছাড়ালে পাইপলাইন অপরিহার্য হয়ে পড়বে।

 

আগামী ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এ বিষয়ে লিখিত মতামত নেওয়া হবে এবং এরপর সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network