ঘূর্ণিঝড় ইয়াসে বরিশালের চন্দ্রমোহনে চিহ্নহীন রাস্তা দু-চিন্তায় লেবার’রা

Barisal Crime Trace
প্রকাশিত মে ২৭ বৃহস্পতিবার, ২০২১, ০৬:৫৮ অপরাহ্ণ
ঘূর্ণিঝড় ইয়াসে বরিশালের চন্দ্রমোহনে চিহ্নহীন রাস্তা দু-চিন্তায় লেবার’রা

নিজস্ব প্রতিবেদক>> বরিশাল সদর উপজেলার ১০ নং চন্দ্রমোহন ইউনিয়নের চন্দ্রমোহন গ্রামের নবনির্মিত একটি সড়ক ভেঙ্গে লোকালয় পানি প্রবেশ করে কয়েকশত পরিবার পানিবন্দী হয়ে পরেছে বলে জানা গেছে।

 

স্থানীয়রা জানান, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসে প্রভাবে সৃষ্টি হওয়া জলোস্বাসে এলজিইডির ক্লাইনেট রেজিমেন্ট রুলার ইনফ্রা এসটাকচার প্রজেক্টের একটি সড়কে ভেঙ্গে খালে পরিনত হয়েছে।

 

তারা আরো জানান, গত ৮ মে সড়কের নির্মানকাজ শেষ হয়। সূত্রে জানা গেছে চলতি বছরে একটি প্রজেক্টের মাধ্যমের ১১ লক্ষ ৭৪ হাজার টাকা ব্যায়ে আবদুল আজিজ খানের বাড়ি থেকে দুলাল আকন বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা নির্মানের কথা থাকলেও এলজিইডি বরাদ্ধ দিয়েছে আবদুল আজিজ খানের বাড়ি থেকে ৫৬০ মিটার মাটির রাস্তা নির্মাণ করেন এলজিইডি বরিশাল। চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারী রাস্তাটি নির্মানের কাজ শুরু হয়।

 

সেই সড়কের এখন আর কোন চিহ্ন নেই বলেও দাবী স্থানীয়দের। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সড়কের কোন চিহ্ন নেই।

 

স্থানীয়রা দাবী করেন এই রাস্তা দিয়ে প্রায় ৫শত পরিবার চলাচল করে এই সড়কটি আবারো সংস্কারের দাবী তাদের।

 

রাস্তা প্রজেক্টের সভাপতি লিপি আক্তার জানান, আমরা এই প্রজেক্টের কাজ কিছু দিন পূর্বে শেষ করেছি।

 

কিন্তু আমরা লেবাররা এখনো পুরো বিলের টাকা পাই নাই।আমাদের ফাইনাল বিল জমা দেয়া আছে।

 

সরকারের প্রতি আমাদের দাবী আমাদের গরীব লেবারদের টাকা যেন দেয়া হয়। নাম প্রকাশ না করা শর্তে এক লেবার জানান, আমরা এলসিএসের ইসলামী ব্যাংক চন্দ্রমোহন শাখার একাউন্টের মাধ্যমে আমাদের টাকা পরিশোধ হতো।

 

আমরা এই প্রজেক্টের ৫ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা পেয়েছি। সরকারের নিয়ম অনুযায়ী ৪ কিস্তিতে টাকা পরিশোধ হওয়ার কথা থাকলেও মাত্র ২ কিস্তির টাকা পেয়েছে বলেও জানান ওই লেবার।

 

প্রজেক্টের সাধারণ সম্পাদক মাকসুদা বেগম জানান, দিন রাত পরিশ্রম করে এই রাস্তাটি নির্মাণ করেছি কিন্তু ঘূর্ণিঝড় ইয়াসে তার কি অবস্থা তা আপনারা দেখে যান।

 

তিনি আরো জানান আমরা এলসিএসের মাধ্যমে পুরো বিলের টাকা পাই নাই। আমরা এখন দুঃচিন্তায় পড়ে গেলাম।

 

আমরা সরকারের কাছে আমাদের বিলের টাকা পাওয়ার আবেদন জানাই। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান একেএম আবদুল আজিজ হাওলাদার জানান, আসলেই আমার ইউনিয়নের গরীব মানুষ গুলো অনেক পরিশ্রম করে রাস্তাটি নির্মান করেছে।

 

আমিও সরকারের কাছে দাবী জানাচ্ছি তাদের বিল পরিশোধ করে আবারো ওই সড়কটি সংস্কারের।




আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি বরিশাল ক্রাইম ট্রেস”কে জানাতে।
ই-মেইল করুনঃ[email protected]