ঘরে বসেই করোনা ভাইরাসের প্রতিরোধ করুন

Barisal Crime Trace
প্রকাশিত এপ্রিল ১০ শনিবার, ২০২১, ১২:০৩ পূর্বাহ্ণ
ঘরে বসেই করোনা ভাইরাসের প্রতিরোধ করুন

 🐙করোনার প্রাথমিক লক্ষনঃ ১। হাঁচি এবং কাশি ২। নাক দিয়ে পানি পরা ৩। গলা ব্যাথা ০৪। শুকনা কাশি ০৫। শ্বাসকষ্ট ০৬। জ্বর(১০০ ডিগ্রি বা বেশি) ০৭। শ্বাস কষ্ট (গুরুতর ক্ষেত্রে) ০৮। পাতলা পায়খানা ( severity বেশি হলে) ০৯। চোখ মুখ লাল হয়ে যাওয়া ১০। খাবারে স্বাদ ও গন্ধ না পাওয়া 🐙উপরোক্ত লক্ষন যদি আপনার দেখা দেয় তাহলে প্রথমে ১৫ দিন ঘরেই থাকুন ।

 

জ্বর, ঠান্ডা, কাশি হলে ডাক্তারের কাছে আগেই আসার দরকার নেই । নিম্নোক্ত প্রেসক্রিপশনে সাতদিন ঔষধ খেতে পারেন । তাছাড়া ঔষধ গুলো এই মুহুর্তে জরুরি প্রয়োজনে ঘরে রাখুন। 😓জ্বর,ঠান্ডা,সর্দি,কাশি,গলা ব্যাথা, শ্বাসকষ্ট থাকলে স্থানীয় ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী লক্ষন ও উপসর্গ ভেদে নিচের ঔষধ গুলি থেকে আপনার প্রয়োজনীয় ঔষধটি সেবন করতে পারেন।

 

১। Favipira 200 / Ivera 12 1+1+1 ভরা পেটে,জ্বর, তীব্র শ্বাসকষ্ট, গলাব্যথা থাকলে ২। Tab : Longpara 665 mg/ Napa Extend/ 665mg ( ভরা পেটে) (1+1+1 ) = ৭ দিন ( ১০০ এর উপরে জ্বর, গলা ব্যাথা থাকলে) ৩।Cap. Doxicap (1+0+1) ৭ দিন। ৪। Scabo 6 (1+0+1) ৭ দিন। ৫। Tab: Fenadin-120/180 / Tab.Deslor (1+০+1)= ৭ দিন (ঠান্ডা,সর্দি, নাকদিয়ে পানি পড়লে) ৬। Tab: Montex 10 mg/Tab. M-kast 10 mg/Tab. Monas 10 mg/Tab. Trilock 10 mg/Lumona10mg (০+০+১)= ৭ দিন ( শ্বাস কষ্ট, কাশি থাকলে) ৭।

 

Syp. Lytex (২ চা চামচ করে ২ বেলা) = ৭ দিন ( শুকনো কাশি হলে) Syp.Ambrox/ Dexpofen/Tuska Plus. চামচ করে ২ বার যদি কফ সহ কাশি থাকে। ৮। Cap: Eoslok 20mg ( এ্যাসিডিতে) (১+০+১) = দিন। খাবার আগে। ৯। Inhaler Bexitrol F যদি শ্বাসকস্ট হয় (১ পাফ ১২ ঘন্টা পর পর) হাপানি রোগীরা বাড়িতে আগে থেকে অবশ্যই নেবুলাইজার মেশিন রাখবেন এবং windal plus দিয়ে নেবুলাইজ করবেন 👬বাচ্চাদের জন্য এখন থেকেই ঘরে রাখুনঃ ১। C-vit দৈনিক একটা চুষে খাবে ১০ দিন।

 

ভিটামিন সি যুক্ত খাবার খাবে। ২। Calbo junior দৈনিক ১ টা চুষে খাবে ১০ দিন, জানালা বা ছাদে বসে বিকেলের রোদে বসতে হবে। ৩। Syp. Xinc ১ চামচ করে ১ বার ৪। syp. Levostar কাশি হলে ১ চামচ করে ২ বার। 🌿🌿এর সাথে সাথে পারিবারিক চিকিৎসায় ২/৫ দিনে করোনা নেগেটিভ সম্ভব। করোনা ভাইরাস নিয়ে হতাশ বা আতংকিত হওয়ার কোন কারন নেই, আপনি ঘরে বসেই ২ থেকে ৫ দিনে সুস্থ হতে পারবেন। জেনে নিন কিভাবে সম্ভব। 🍀সর্দি জ্বর, গলা ব্যথা, বা কাশি হউক নিয়ে নিন ঘরোয়া পদ্ধতিতে চিকিৎসাঃ ১) আদা, লেবু, তেজপাতা, এলাচি, লং, দাড়চিনি একটি পরিস্কার পাত্রে পানিতে ১৫ মিনিট ফুটাতে থাকুন। সাথে আস্তা লেবু ২টা। ২) ফুটানো চলাকালে নিরাপদ দূরত্বে থেকে কমপক্ষে ৫ মিনিট গরম বাষ্পনাক দিয়ে লম্বা নিঃশ্বাস টেনে মুখ দিয়ে বের করতে হবে।

 

দৈনিক এভাবে ৪ থেকে ৫ বার গ্রহন করুন। ৩) তারপর এই ফুটন্ত আদা, লেবু, তেজপাতা ইত্যাদির মিক্স গরম পানি চায়ের মতো করে ১ ঘন্টা পরপর পান করতে থাকুন। ৪) সাথে উপরোক্ত ঔষধ খান। ৫) ফুসফুসকে ভাল রাখার জন্য বাসায় বা বাসার বারান্দায় বসে মুক্ত বাতাসে শ্বাস প্রশ্বাসের ব্যয়াম করুন কমপক্ষে দৈনিক দুবার। নাক দিয়ে লম্বা নিশ্বাস গ্রহন করুন যতোবেশী নিতে পারেন নিন তারপর যতোক্ষণ আটকিয়ে রাখতে পারেন রাখুন। তারপর আস্তে আস্তে মুখ দিয়ে দম ছাড়ুন। এভাবে ১০ বার করুন। ৬) প্লেটে আদা কেটে সামান্য লবন দিয়ে রাখুন।

 

মুখে দিন একটু পরপর। ৭) আধা ঘন্টা পর পর গরম চা, গরম দুধ, কফি, গ্রিন টি পান করুন। গলা কোনভাবেই শুষ্ক রাখা যাবেনা। আপনি বাঁচবেন কি বাঁচবেননা, আপনার ‘কী রোগ হলো’ ভুলেও এসব ভাবনা মাথায় প্রশ্রয় দিবেন না। মনে রাখবেন, আসল কথা হচ্ছে মনোবল। বনের বাঘে খায়না মনের বাঘে খায়। মনোবল হারালে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, তাই আপনার যা ভালো লাগে তাই করবেন মনোবল চাংগা রাখার জন্যে। ৭ দিন ঘরে অবস্থান করবেন । মাস্ক পরিধান করবেন ।

 

হাত হ্যান্ড স্যানিটাইজার অথবা হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে পরিস্কার করুন । হাচি কাশির সময় টিস্যু ব্যবহার করুন। উপরোক্ত পদ্ধতিতে আপনি ৭ দিন চিকিৎসা নিলে ৭ দিনের মধ্যে আপনার করোনাভাইরাস নেগেটিভ হবে ইনশাআল্লাহ। মুসলিম ভাইয়েরা বেশি বেশি দোয়া পড়ুন। জীবন দেয়া এবং নেয়ার মালিক একমাত্র আল্লাহ। ০১। আল্লাহুমা ইন্নি আউযুবিকা মিনাল বারাসি,ওয়াল জুনুনি,ওয়াল জুযামি, ওয়া মিন শাইয়্যিল আসক্বম । ০২। সুরা ফাতিহা প্রতিদিন ০৭ বার ।

 

০৩। সুরা ইখলাস ০৩ বার, সুরা ফালাক ০৩ বার, এবং সুরা নাস ০৩ বার করে পড়ুন । 🔍০৭ দিন পরও সুস্থ না হলে করোনা ভাইরাস চিকিৎসার নির্দিষ্ট হাসপাতাল গুলোতে যোগাযোগ করুন এবং আইডিসিআর এ ফোন দিয়ে তাদের আপনার অবস্থা বিষয়ে অবহিত করুন। করোনার লক্ষন গুলো আপনাদের মাঝে থাকলে আইইডিসিআর( IEDCR) খবর দিন ।

 

📞📞যোগাযোগ ঃ 16263, # 01550064901-05 # 01401184551, # 01401184554-56, # 01401184559-60 # 01401184559-60 # 01401184563, # 01401184568 # 01927711784-85 # 01937000011 # 01937110011 🌹সুস্থ্য হয়ে উঠে আগের সব নিয়ম বাদ দিয়ে যে নিয়মে চলবেনঃ ১। সরকারি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি। ২। হাঁচি কাশির শিষ্টাচার মেনে চলি। ৩। মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস, নিরাপত্তা চশমা ব্যবহার করি। গ্লাভস্ প্রয়োজন নেই যদি বারবার হাত ধোয়া যায়- বরং গ্লাভ্স্ এ জীবানু লেগে থাকার রিস্ক থাকে। ৪। মাস্কের সাথে ফেসশিল্ড ব্যবহার করতে পারি। বাইরে বের হলে মাস্কের উপর হেলমেটও পড়তে পারি বিশেষ করে যারা বাইকার। ৫। অপ্রয়োজনীয় লোকসমাগম এড়িয়ে চলি। ৬।

 

আগামী অন্তত ৬ মাস আরো দ্বিগুণ সাবধান হই। ৭। পকেটে সবসময় স্যানিটাইজার- প্রতি আধঘন্টা পর পর হাত ঘষি। ৮। পকেটে সব সময় কিছু রুমাল টিস্যু রেখে দেই। ৯। মোবাইল ফোনটি একটি পলিথিনে রাখি। প্রয়োজন মত পলিথিন স্প্রে করে মুছে নেয়া যাবে। হেডফোন না নেয়াই ভাল। ১০। স্পিকার মোডে কল রিসিভ করি। ১১।

 

পাবলিক ট্রান্সপোর্ট এড়িয়ে চলি, এটা সবচেয়ে রিস্কি জায়গা। ১২। বাড়ির বাইরে খাওয়া এড়িয়ে চলি, শুকনো high calorie snacks যেমন বাদাম, শুকনো ফল অল্প সাথে রাখি, নিজের খাবারপানি তো বটেই। ১৩। বাইরে বা কাজে খাবার বা পানি বা সিগারেট শেয়ারিং বন্ধ করি। ১৪। বাইরে থেকে বা বাজারে পাওয়া টাকা-নোট আলাদা পলিথিনে এনে পারলে তিনদিন একটা ট্রেতে রেখে দেই। ১৫। যেখানে সেখানে হেলান দেওয়া, বসা, কনুইয়ে ভর দেওয়া অভ্যাস গুলো পরিত্যাগ করি।

 

১৬। একটা ক্যাপ মাথায় থাকলে ভালো, মহিলাদের ক্ষেত্রে ওড়না, হিজাব, বোরখা। ১৭। কাপড়ের ব্যাগ নিয়ে বের হই- যা প্রায়ই ধোয়া যাবে- লেদার বা মোটা ক্যানভাসের ব্যাগের ফ্যাশন বাদ দেই। ১৮। ঘড়ি মেটাল দিয়ে তৈরি। এতে ভাইরাস হাতের চেয়ে বেশি সময় থাকে। ঘড়ি পড়া বন্ধ করে দেই। ১৯। বাবার দরবারের আংটি, মাদলি, তাবিজ খুলে ফেলি।

 

কারণ মেটালে ভাইরাস ৭২ ঘন্টা থাকে। ২০। মা বোনেরা জুয়েলারী ব্যবহার বন্ধ রাখুন। ২১। পাবলিক ওয়াশরুম- বুঝে শুনে ব্যবহার করতে হবে। ২২। যতবার বাইরে যাবো ফিরে আসার পর মাস্ক অবশ্যই চেন্জ করতে হবে- স্পেয়ার ক্যারি করা ভালো। ২৩। বাজারে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে দ্রুত বাজার সেরে ফেলতে হবে। ২৪।

 

গণপরিবহণে খুব সাবধানতা অবলম্বন করে চলতে হবে। ২৫। ব্যায়াম সহ নিয়ম শৃঙ্খলা মেনে সময় মত প্রয়োজনীয় ঔষধ, ভিটামিন সি ও ডি যুক্ত খাবার সহ দৈনন্দিন খাবার ও ঘুম যেতে হবে। সৌজন্যেঃ প্রভাষক আমিনুর রহমান শামীম, প্রশিক্ষনার্থী ( স্বাস্থ্য ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এটুআই ও ব্রাক এর COVID-19 প্রশিক্ষণ), বরিশাল মহানগর, বরিশাল।




আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি বরিশাল ক্রাইম ট্রেস”কে জানাতে।
ই-মেইল করুনঃ[email protected]