ভোলার কামারপাড়ায় চলছে শেষ সময়ের ব্যস্ততা


Barisal Crime Trace -FF প্রকাশের সময় : জুলাই ৯, ২০২২, ১০:৩৬ পূর্বাহ্ণ /
ভোলার কামারপাড়ায় চলছে শেষ সময়ের ব্যস্ততা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঈদুল আজহার আর মাত্র দুদিন বাকি। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ভোলার কামারপাড়ায় চলছে শেষ সময়ের ব্যস্ততা।

 

 

 

ছুরি, চাকু, দাসহ বিভিন্ন লোহার সরঞ্জাম তৈরি ও বিক্রি করছেন কামারশিল্পীরা। গত দুই বছর করোনার কারণে কোরবানির ঈদের বিক্রি তেমন ভালো না হলেও এবার পুষিয়ে উঠতে পারবেন বলে দাবি তাদের।

 

 

 

তবে গত কয়েক বছরের চেয়ে এবার লোহার সামগ্রীর দাম বেশি নিচ্ছেন কামাররা। অন্যদিকে কোরবানির পশু ও ঘরের রান্নার কাজের সামগ্রীর দাম বেশি হওয়ায় কিছুটা হিমশিম খাচ্ছেন ক্রেতারা।

 

 

ভোলার বিভিন্ন কামারপাড়া ঘুরে দেখা গেছে, কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে কাকডাকা ভোর থেকে শুরু করে মধ্যরাত পর্যন্ত ভোলার শহরসহ সাত উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কামারশিল্পীরা লোহার তৈরি বিভিন্ন সরঞ্জাম তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। ক্রেতাদের জন্য তৈরি করা সরঞ্জাম দোকানের সামনে সাজিয়ে রাখছেন তারা।

 

ভোলার শহরের কালিনাথ রায়ের বাজার এলাকার কামার শিল্পী বিশ্বজিৎ কর্মকার ও মো. শামিম খোকন বলেন, রোববার কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে এখনো ভোর থেকে শুরু করে মধ্যরাত পর্যন্ত লোহার তৈরি ছুরি, চাকু, দা, বটিসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম তৈরি করছি। এছাড়া আমরা গত এক মাস আগ থেকে অনেক সরঞ্জাম তৈরি করে রেখেছি। প্রচুর বিক্রি হচ্ছে। শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে বিক্রি আরও বেশি জমজমাট হবে।’

 

কামারশিল্পী মো. শরীফ বলেন, ‘আগের চেয়ে লোহার দাম অনেক বেড়েছে। এমনকি শ্রমিকের মজুরিও আগের চেয়ে বেশি গুনতে হচ্ছে। তাই সরঞ্জামের বেশি দামে বিক্রি করছি।

 

ভোলা সদর উপজেলার বাপ্ত ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ক্রেতা মো. সুলতান মিয়া বলেন, ‘কামারের দোকানে কোরবানি উপলক্ষে নতুন ছুরি, চাকু ও দা কিনতে এসেছি। কিন্তু সব সরঞ্জামের দাম বেশি। আগে যে ছুরি কিনেছি ৪০০-৫০০ টাকায় এখন সেই ছুরির দাম ৭০০-৮০০ টাকা। আগে দা কিনছি ৩০০-৩৫০ টাকা এখন সেই দা ৫৫০ থেকে ৭০০ টাকা। বর্তমানে সব কিছুরই দাম বেশি।

 

ভোলা পৌর শহরের ওয়েস্টার্ন পাড়ার ক্রেতা ইকবাল হোসেন বলেন, ‘গত বছরের চেয়ে এবছর লোহার সব সামগ্রীর দাম বেশি। আমরা কোরবানির জন্য বিভিন্ন সামগ্রী কিনতে কামারের কাছে এসে হিমশিম খাচ্ছি।

 

তিনি আরও বলেন, ‘দাম বেশি হলেও আমাদের কিছু করার নেই। কারণ কোরবানির জন্য তো এসব কিনতে হবে। তাই বাধ্য হয়েই কিনছি।