বরগুনায় ব্রীজ ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, ভোগান্তিতে ১৫ হাজার মানুষ

Barisal Crime Trace
প্রকাশিত জুন ৮ মঙ্গলবার, ২০২১, ০৬:৫৮ অপরাহ্ণ
বরগুনায় ব্রীজ ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, ভোগান্তিতে ১৫ হাজার মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক>> বরগুনার আমতলী উপজেলার আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের গাজীপুর খালের মুছুল্লি বাড়ী সংলগ্ন আয়রন ব্রীজ ভেঙে যোগাযোগ বিছিন্ন হয়ে পরেছে।

এতে ভোগান্তিতে পরেছে ৮ গ্রামের ১৫ হাজার মানুষ। দ্রুত ব্রীজ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। খবর পেয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন ব্রীজ পরিদর্শনে লোক পাঠিয়েছেন।

জানা গেছে, ২০০৮ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর আমতলী উপজেলার আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের গাজীপুর খালে মুছুল্লি বাড়ীর সংলগ্ন স্থানে আয়রন ব্রীজ নির্মাণ করে।

ওই সময় ঠিকাদার নিম্নমানের কাজ করায় দুই বছরের মাথায় ব্রীজ নড়বড়ে হয়ে পড়ে। ২০১২ সালে ওই ব্রীজের একটি অংশ দেবে যায়।

 

গত ৯ বছর ধরে দেবে যাওয়ায় ব্রীজ দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের ৮ গ্রামের ১৫ হাজার মানুষ ও যানবাহন চলাচল করছে। মঙ্গলবার সকালে সোনাখালী পাড় থেকে মাঝখানের ব্রীজের অংশ ভেঙ্গে নদীতে পড়ে গেছে।

এতে যোগাযোগ বিছিন্ন হয়ে পরেছে আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের গাজীপুর, গেরাবুনিয়া, সোনাখালী, দরিটানা, পশ্চিম সোনাখালী ও আমতলাসহ ৮ টি গ্রামের।

যোগাযোগ বিছিন্ন হওয়ায় ভোগান্তিতে পরেছে ওই ইউনিয়নের অন্তত ১৫ হাজার মানুষ। ব্রীজ ভেঙে যাওয়ায় চলাচল বন্ধ রয়েছে। দ্রুত ভাঙ্গা ব্রীজ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

মঙ্গলবার সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, সোনাখালী পাড় থেকে মাঝখান পর্যন্ত ব্রীজ ভেঙে খালে পড়ে আছে। সকল যোগাযোগ বিছিন্ন। মানুষ ও যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

গাজীপুর গ্রামের ব্যবসায়ী মনিরুল ইসলাম মুসুল্লী ও বেল্লাল গাজী বলেন, মঙ্গলবার সকালে হঠাৎ করে সোনাখালী পাড়ের ব্রীজের একটি অংশ ভেঙ্গে খালে পরে গেছে। এতে মানুষ ও যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

 

তারা আরো বলেন, প্রতিদিন এই ব্রীজ দিয়ে অন্তত ৩-৪ হাজার মানুুষ চলাচল করতো। সেই মানুষগুলোর যাতায়াত বন্ধ হয়ে গেছে।

পশ্চিম সোনাখালী গ্রামের সোহেল রানা বলেন, ঠিকাদার নিম্ন মানের কাজ করায় নির্মাণের চার বছরের মাথায় ব্রীজ দেবে যায়। গত ৯ বছর ধরে ওই দেবে যাওয়া ব্রীজ দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষ ও যানবাহন চলাচল করছে।

এখন ব্রীজ ভেঙে যাওয়ায় ৮ গ্রামের অন্তত ১৫ হাজার মানুষের চলাচলে ভোগান্তিতে পরেছে। দ্রুত ব্রীজ নির্মাণ করে মানুষের ভোগান্তি লাঘবের দাবী জানান তিনি।

আমতলী উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, খবর পেয়ে ভাঙ্গা ব্রীজ পরিদর্শনে লোক পাঠিয়েছি। পরিদর্শন শেষে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণে বরগুনা জেলা নির্বাহী প্রকৌশলীকে প্রতিবেদন দেয়া হবে।

 




আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি বরিশাল ক্রাইম ট্রেস”কে জানাতে।
ই-মেইল করুনঃbarishalcrimetrace@gmail.com