পিরোজপুরে ৩ লাখ টাকা দিয়েও চাকরি পেলেন না


Barisal Crime Trace -FF প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ৪, ২০২২, ১১:১৮ পূর্বাহ্ণ /
পিরোজপুরে ৩ লাখ টাকা দিয়েও চাকরি পেলেন না

স্টাফ রিপোর্টার, নাজিরপুর: ‘আমার কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা নিয়েও আমাকে নিয়োগ দিলেন না। অন্য এক প্রার্থীর কাছ থেকে অধিক টাকা নিয়ে তাকেই নিয়োগ দিয়েছেন।’ মাদরাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ করেছেন নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী মোহাম্মদ কামালউদ্দীন।

সকাল ১১টার দিকে পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার ডুমরিয়া নেছারিয়া বালিকা আলিম মাদরাসায় তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগে অধ্যক্ষ ও সভাপতির বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যের প্রতিবাদে মানববন্ধনে এমন বক্তব্য দেন তিনি।

প্রায় দু’শতাধিক মানুষের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন মাদরাসার সদস্য মোহাম্মদ আবুল কালাম বেপারী, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মোহাম্মদ আলম ফকির, মোহাম্মদ জলিল বেপারী, নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী (নৈশ প্রহরী) পদে মোহাম্মদ কামালউদ্দীন, স্থানীয় কাইয়ুম বালি, নুরুল ইসলাম প্রমুখ।

বক্তারা এ সময় মাদরাসার অধ্যক্ষ এ কে এম ফজলুল হক ও সভাপতি মোহাম্মদ মোস্তফা কামালের বিরুদ্ধে তাদের মনোনীত প্রার্থীর কাছ থেকে ৫-৭ লাখ টাকার বিনিময়ে অযোগ্য লোক নিয়োগ দেয়ার অভিযোগ করেন।

সদস্য মোহাম্মদ আবুল কালাম বেপারী বলেন, গত ২৬ আগস্ট একজন নৈশ প্রহরী, একজন অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর ও অফিস সহকারী কাম-হিসাব পদে পিরোজপুর ফাজিল মাদরাসায় লোক দেখানো সাক্ষাৎকার গ্রহণ করে প্রার্থী নির্বাচন করেন। নির্বাচিতদের নিয়োগ প্রদানের জন্য গভর্নিং বডির সদস্যদের অনুমোদন প্রয়োজন।

অবৈধ নিয়োগ বৈধ করার লক্ষ্যে অধ্যক্ষ নিয়োগ কমিটির সদস্যদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভুল বুঝিয়ে রেজুলেশন বইতে স্বাক্ষরের জন্য হুমকি প্রদান করেন। আমাকেও হুমকি দিয়ে স্বাক্ষর নেয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করলে শুক্রবার নাজিরপুর থানায় এ ব্যাপারে একটি সাধারণ ডায়রি করি। এ সময় তারা ওই নিয়োগ স্থগিত করে নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগের দাবি জানান।

অধ্যক্ষ এ কে এম ফজলুল হক জানান, আমি বৈধ ভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছি। তবে নিয়োগ বোর্ডের যেসব সদস্য উপস্থিত ছিলেন না তাদের রেজুলেশনে স্বাক্ষর দেয়ার জন্য আমি তাদের অনুরোধ করেছি। মাদরাসার সভাপতি মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল বলেন, নিয়োগ পরীক্ষায় যারা উত্তীর্ণ হয়েছে তাদেরকেই নিয়োগ দেয়া হয়েছে। আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট।