পিকে হালদারসহ ১৪ জনের বিচার শুরু


Barisal Crime Trace -FF প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ৮, ২০২২, ১:৩৮ অপরাহ্ণ /
পিকে হালদারসহ ১৪ জনের বিচার শুরু

ক্রাইম ট্রেস ডেস্ক : ৪২৬ কোটি টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রায় ছয় হাজার ৮০ কোটি টাকা লেনদেনের মামলায় প্রশান্ত কুমার হালদারসহ (পিকে হালদার) ১৪ জনের বিচার শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

গত ২৯ আগস্ট এই মামলার আংশিক চার্জ শুনানি হয়। ওইদিন দুদকের পক্ষে এদিন চার্জ শুনানি শেষ হয়। এরপর কারাগারে থাকা চার আসামির মধ্যে অবন্তিকা বড়াল ও সুকুমার মৃধার পক্ষে অব্যাহতির (ডিসচার্জ) আবেদন শুনানি করেন তাদের আইনজীবী। বৃহস্পতিবার অপর দুই আসামি শংখ ব্যাপারী ও অনিন্দিতা মৃধার পক্ষে অব্যাহতির আবেদন শুনানি হয়। এরপর বিচারক তাদের অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে চার্জ গঠনের আদেশ দেন।

গত ৭ জুলাই এই মামলার পলাতক ১০ আসামিকে হাজিরে জারি করা গেজেট বিজ্ঞপ্তির কপি আদালতে দাখিল করা হয়। এরপর ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েশ মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এ বদলির আদেশ দেন। মামলার ১৪ আসামির মধ্যে ১০ জন পলাতক। তারা হলেন- পিকে হালদারের মা লিলাবতী হালদার, পূর্ণিমা রানী হালদার, উত্তম কুমার মিস্ত্রি, অমিতাভ অধিকারী, প্রিতিশ কুমার হালদার, রাজিব সোম, সুব্রত দাস, অনঙ্গ মোহন রায় ও স্বপন কুমার মিস্ত্রি।

চার্জশিটভুক্ত অপর চার আসামি গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন। এই চার আসামি হলেন- পিকে হালদারের বান্ধবী অবন্তিকা বড়াল, শংখ বেপারী, সুকুমার মৃধা ও অনিন্দিতা মৃধা। এদিন তাদের আদালতে হাজির করা হয়। ২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি প্রায় ২৭৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পিকে হালদারের নামে দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি দায়ের করেন সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরী।

মামলার এজাহারে বলা হয়, পিকে হালদার বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা ও অবৈধ কার্যক্রমের মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ২৭৪ কোটি ৯১ লাখ ৫৫ হাজার ৩৫৫ টাকার অবৈধ সম্পদ নিজ দখলে রেখেছেন। যা দুদক আইন, ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

ওই অপরাধলব্ধ আয়ের অবৈধ উৎস, প্রকৃতি, অবস্থান, মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ, উৎস গোপন বা আড়াল করতে স্থানান্তর, রূপান্তর ও হস্তান্তর করে মানি লন্ডারিং সংক্রান্ত অপরাধ করেছেন। এরপর মামলাটি তদন্ত করে চার্জশিট দাখিল করে দুদক। চার্জশিটে পিকে হালদারের বিরুদ্ধে অবৈধ উপায়ে প্রায় এক কোটি ১৭ লাখ কানাডিয়ান ডলারের সমপরিমাণ অর্থ দেশটিতে পাচারের অভিযোগ আনা হয়।