বাবুগঞ্জে বুদ্ধি-প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ; অর্থের বিনিময়ে ধামাচাপার চেস্টা!


Barisal Crime Trace -FF প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ১০, ২০২২, ৭:৪১ অপরাহ্ণ /
বাবুগঞ্জে বুদ্ধি-প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ; অর্থের বিনিময়ে ধামাচাপার চেস্টা!

বাবুগঞ্জ প্রতিনিধি : বরিশালের বাবুগঞ্জে এক সন্তানের জনকের বিরুদ্ধে এক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এমনকি এ ঘটনাটিকে অর্থের বিনিময়ে ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ধর্ষণের ঘটনা অর্থের বিনিময়ে ধামাচাপা দিতে চাচ্ছে ধর্ষক শহিদুল ইসলাম খান (৩৪) তার বড় ভাই বাবুল খান ও এলাকার একটি প্রভাবশালী মহল। ঘটনাটি ঘটেছে বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নে।

ধর্ষক শহিদুল ইসলাম খান (৩৪) উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের বাহেরচর ক্ষুদ্রকাঠী গ্রামের মৃত্যু মো. মালেক খান এর ছেলে। ধর্ষিতার পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ৮ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে বাহেরচর ক্ষুদ্রকাঠী গ্রামের কৃষক হালিম খানের বুদ্ধি প্রতিবন্ধী কিশোরী মেয়েকে বাসায় রেখে তাঁর মা নাজমা বেগম একই ইউনিয়নে অবস্থিত উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যান। এবং পিতা হালিম খান কৃষি কাজে বাইরে যান।

এমন সুযোগে একই বাড়ির লম্পট শহিদুল ইসলাম জোরপূর্বক ঘরে প্রবেশ করে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণ করে। এ সময় বুদ্ধি প্রতিবন্ধী কিশোরী মেয়ের পিতা মো. হালিম খান বাড়িতে এসে দরজা বন্ধ দেখে দরজায় ধাক্কা দিলে ধর্ষক শহিদুল ইসলাম পালিয়ে যান। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম সেইদিনই এলাকা ত্যাগ করেন। এবং তাঁর বড় ভাই বাবুল খান ধর্ষিতার পরিবারকে দশ হাজার টাকা দিয়ে বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য হুমকি প্রদান করেন বলে জানান ধর্ষিতা কিশোরীর মা নাজমা বেগম।

ধর্ষক শহিদুল ইসলাম ও তার ভাই বাবুল খান এলাকার প্রভাশালী হওয়ায় অর্থের বিনিময়ে ঘটনাটি গোপনে মীমাংসার চেষ্টা করেন। এলাকাবাসী জানায়, ধর্ষক শহিদুল ইসলাম এর ভাই বাবুল খান প্রভাবশালী অন্যদিকে নির্যাতিত বুদ্ধি প্রতিবন্ধী মেয়েটি দরিদ্র হওয়ায় ধর্ষক ও এলাকার কিছু মাতব্বর ধর্ষিতার পরিবারকে টাকার বিনিময়ে ঘটনাটি মীমাংসা করার চেষ্টা করছে। ধর্ষিতার মা জানায়, আমি বাড়িতে না থাকায় আমার বুদ্ধি প্রতিবন্ধী মেয়েকে কৌশলে আমার ঘরে প্রবেশকরে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। এ ঘটনার তিনি ন্যায্য বিচার দাবি করেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ধর্ষক মো. শহিদুল ইসলাম এর সাথে তার ব্যবহৃত মোবাইল (০১৯০৫০৬০২৯০ নম্বরে) যোগাযোগ করা হলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। তাঁর ভাই বাবুল খান বলেন আমার ভাই দোষী হলে তার বিচার হোক আমিও চাই। শহিদুল ইসলাম এর মা ও স্ত্রী আকলিমা বেগম দশ হাজার টাকা ধর্ষিতার পরিবারকে দেওয়ার কথা স্বীকার করেন। এ বিষয়ে বাবুগঞ্জ থানার ওসি মো. মাহাবুবুর রহমান বলেন, ঘটনাটি আমার জানা নেই। এ ব্যাপারে থানায় কেউ কোন অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আমরা প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করবো।