বোরহানউদ্দিনে বিয়াইনকে বিবাহ করতে মরিয়া বেয়াই


Barisal Crime Trace -FF প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ১০, ২০২২, ৯:১০ অপরাহ্ণ /
বোরহানউদ্দিনে বিয়াইনকে বিবাহ করতে মরিয়া বেয়াই
স্টাফ রিপোর্টার, বোরহানউদ্দিন : ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের কলিমউদ্দিন বাড়ির বিদেশ প্রবাসী জসিমের স্ত্রী রানু বেগমকে বিবাহ করতে মরিয়া তার আপন বেয়াই একই এলাকার দালাল বাড়ির নেজু দালাল (৫০)। এমন অভিযোগ করেছেন বিদেশ প্রবাসী জসিম ও তার স্ত্রী রানু বেগম। বিদেশ প্রবাসীর স্ত্রী রানু বেগম অভিযোগ করে বলেন,একই এলাকার নেজু দালালের ছেলের কাছে আমার মেয়ে বিবাহ দেই।
সেই হিসেবে নেজু দালাল আমার বেয়াই হয়। তবে নেজু দালালের স্ত্রী আমার বেয়াইন মৃত্যু বরন করেন।বেয়াইনের মৃত্যুর পর থেকেই আমাকে বিভিন্ন কুপ্রস্তাব খারাপ প্রস্তাব দিতো বেয়াই নেজু দালাল। তবে বিষয়টি বিদেশ প্রবাসী আমার স্বামীকে জানাই। পরে আমার স্বামী বিদেশ থেকে চলে আসে। আমাকে বিবাহ করার জন্য আমার স্বামীকে হত্যার চেস্টা চালায় নেজু দালাল। বিভিন্ন ফকির খনকার নিয়ে কুফরি কার্যকালাপ চালাতে বুধবার রাতে আমাদের বাড়িতে এসে গোপনে বিভিন্ন স্থানে তাবিজ কবজ পুতার সময় হাতে নাতে তাকে ধরি।
ফকির খনকার দুইজন দৌরে পালিয়ে গেলেও বেয়াই নেজু দালালকে ওই তাবিজ কবজ সহ তাকে হাতে নাতে ধরি।সেই তাবিজ কবজের মধ্যে আমার স্বামী জসিম ও আমার বিচ্ছেদ হওয়ার কথা লেখা আছে। অপর কয়েকটি তাবিজ কবজের মধ্যে আমি নেজু দালালের সাথে মিল হয়ে ঘর থেকে বাহির হওয়ার জন্য লিখা আছে। ওই তাবিজ কবজ গুলো সংরক্ষিত রাখা আছে। তখন আমার বেয়াই নেজু দালালের এসব কর্মকান্ড দেখে আমিও আমার স্বামী আতংক হয়ে যাই।এক পর্যায়ে আমার বেয়াই নেজু দালান দৌড়ে পালিয়ে যায়।
এ সময় তার গায়ের জামা জুতা মোবাইল ও টচ লাইট আমাদের বাড়িতে রেখে যায়,আমরা বিষয়টি স্থানীয় মেম্বার চেয়ারম্যান ও এলাকার লোক জনকে জানাই।  রানু বেগমের স্বামী বিদেশ থেকে আসা জসিম জানান,আমি ওমান থাকা অবস্থায় আমার বেয়াই আমার বাড়িতে আসা যাওয়া করত। আমি বাড়িতে না থাকায় আমার বেয়াই নেজু দালালের কাছে আমি টাকা পাঠাতাম।আমার গার্ডিয়ান  হিসেবে আমার বেয়াই নেজু দালাল আমার সংসারের ভালো মন্দ দেখাশুনা করত। আমি প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা আমার বেয়াই নেজু দালালের কাছে পাওনা আছি।
এই সুযোগে আমার স্ত্রীকে বিভিন্ন সময় কুপ্রস্তাব দিতো আমার বেয়াই নেজু দালাল।বিষয়টি স্থানীয় ভাবে কয়েকবার সালিস বৈঠক হয়েছে।সালিস বৈঠকে আমার বেয়াই নেজু দালালকে আমাদের বাড়িতে প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে। তার পরেও আমার বেয়াই নেজু দালাল আমার স্ত্রীকে বিবাহ করতে মরিয়া হয়ে গেছে। অন্যদিকে অভিযুক্ত নেজু দালাল জানান,আমি আমার নাতিকে দেখতে রাতে বেয়াই বাড়িতে যাই।সেখানে তারা চোর-চোর করে হঠাৎ আমাকে মারধর করে। আমি হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেই। তবে আমি তাদের অনেক উপকার করেছি।আজ তাদের উপকারের কথা মনে নেই। তাই তারা আমার উপর হামলা চালিয়েছে।