নগরীর বঙ্গবন্ধু কলোনী সড়কের বেহাল দশা, দুর্ভোগ চরমে


Barisal Crime Trace -FF প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২২, ৪:২৬ অপরাহ্ণ /
নগরীর বঙ্গবন্ধু কলোনী সড়কের বেহাল দশা, দুর্ভোগ চরমে

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল : দীর্ঘ সাত বছর সংস্কার না হওয়ায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে বরিশাল নগরীর চাঁদমারী কলোনীর আঞ্চলিক সড়কের শাখা সড়ক। বড় বড় গর্তে পড়ে প্রায়ই বিকল হচ্ছে যানবাহন, ঘটছে দুর্ঘটনা। স্থানীয়দের অভিযোগ, বেহাল দশার এই সড়কটিতে দীর্ঘদিন ধরে দুর্ভোগ পোহাতে হলেও শুরু হয়নি সংস্কারকাজ। চাঁদমারী পুলিশ অফির্সাস মেস থেকে শুরু করে বঙ্গবন্ধু কলোনীর র্কীতনখোলা নদী সংলগ্ন বরফ কল পর্যন্ত এই সড়কে উঠে গেছে কার্পেটিং। সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন ট্রাক, অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত ভ্যান, মোটরসাইকেল সহ ছোট বড় অনেক যানবাহন চলাচল করে।

কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির কোনো সংস্কার না হওয়ায় পিচ উঠে অসংখ্য স্থানে তৈরি হয়েছে ছোট-বড় গর্ত। খানাখন্দে ভরা এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন বঙ্গবন্ধু কলোনীর প্রায় ১০ হাজার মানুষ সহ বিনোদনের জন্য ত্রিশ গোডাউন ও র্কীতনখোলা নদীর পাড়ে ঘুরতে আসা হাজার হাজার মানুষ চলাচল করে থাকে। একটু বৃষ্টি হলেই সড়কের গর্তগুলোতে পানি জমে বেহাল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।

বেহাল এই সড়কে নিয়মিত ঘটছে দুর্ঘটনা। চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও বিনোদন নিয়ে আসা মানুষ গুলো। শুধু তাই নয় ওই সড়ক থেকে চলাচল করে রিক্সা থেকে শুরু করে মটরসাইকেল, ভ্যান গাড়ী, আটোরিক্সা,সহ ছোট বড় অনেক যানবাহন। কলোনীবাসী ঘর থেকে মূল সড়কে যাবার সহজ যোগাযোগ এই রাস্তা।

অথচ, রোগী ও জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত যাওয়া যায় না এই রাস্তাটি দিয়ে। আর বৃষ্টিতে ভোগান্তি ওঠে চরমে। স্থাণীয় বাসিন্দা বশির বলেন, সড়কের পিচ উঠে যাওয়ার কারনে আমাদের চলাচলের রাস্তাটি অনুপযোগী হওয়ায় জনজীবনে বেড়েছে চরম দুর্ভোগ।

দীর্ঘদিন ধরেই পুরো সড়কজুড়ে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। সড়ক দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে প্রায়ই উল্টে যাচ্ছে রিকশা, ভ্যান। এতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন এই সড়কে চলাচলকারী অসংখ্য মানুষ। আর বৃষ্টির পানি জমে একেকটি গর্ত যেন পরিণত হয়েছে ছোট ডোবায়। বেহাল দশার কারণে প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।

স্থানীয় বাসিন্দা হাবিব হোসেন বলেন, এই সড়কটি সরকার কয়েক বছর আগে করলেও ড্রেনেজ সিস্টেম না থাকায় সড়কে পানি জমে রাস্তার এই বেহাল দশা। আমাদের চলাচলে খুব অসুবিধা হচ্ছে। এক বস্তা চাল যে বাড়িতে নেব, সে উপায়ও নাই। এসব ময়লা পানি মাড়িয়ে প্রতিনিয়ত পেটের তাগিদে আসা-যাওয়া করতে হচ্ছে স্থানীয়দের। আমরা বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের কাছে এই সড়কটি দ্রুত সংস্কারের জন্য দাবি জানাই।

বিষয়টি নিয়ে ১১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মজিবর রহমান বলেন, প্রায় ৯ বছর আগে সাবেক মেয়র আহসান হাবিব কামাল ক্ষমতায় থাকাকালীন ৫০ লক্ষটাকা ব্যায়ে সড়টির কার্পেটিং কাজ করেন ঠিকাদারী আলতাব হাজী। তবে কাজ করার এক বছরের মাথায় সড়কের বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে যায়। পরে অনেক বাকবিতান্ড করার এক পর্যায়ে সড়টির রিপেয়ারিং কাজ করা হয়েছিলো। তার পরে আজ র্দীঘ বছর ধরে খানাখন্দ ভরা রাস্তাটির কোন কাজ করা হয়নি।

তিনি আরো বলেন, বিষয়টি মেয়র মহায়দকে জানিয়েছি। বর্ষা শেষ নাগাদ রাস্তাটির কাজ করে দিবেন জানিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মোঃ ফারুক আহম্মদ বলেন বিষয়টি নিয়ে আমাদের প্লান পরিকল্পানা রয়েছে। তবে খুব শিগ্রই আমরা সড়কটির সংস্কার কাজ শুরু করবো।