হাঁটু সমান কাদা রাস্তায়, দুর্ভোগে পাঁচ গ্রামবাসী


Barisal Crime Trace -FF প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২২, ১১:৩২ পূর্বাহ্ণ /
হাঁটু সমান কাদা রাস্তায়, দুর্ভোগে পাঁচ গ্রামবাসী

স্টাফ রিপোর্টার, বেতাগী : গত কয়েক বছর ধরে বর্ষাকালে প্রচুর কাদা দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। বৃষ্টি বেশি হলে যেন আউশ ধানের মাঠে পরিণত হয় রাস্তা। এসময় নৌকায় পারাপার করতে হচ্ছে। বরগুনার বেতাগী সদর ইউনিয়নের ঝোপখালী সেতু থেকে ২৩ নম্বর উত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত এক কিলোমিটার রাস্তায় কেওয়াবুনিয়াসহ পাঁচ গ্রামের সাত হাজার মানুষ এ দুর্ভোগে রয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার সদর ইউনিয়নের ঝোপখালী থেকে উত্তর বেতাগী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা। এ রাস্তায় বর্ষার সময় কয়েক জায়গায় ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে। বড় বড় গর্ত, খানাখন্দ, পানি ও কাদায় রাস্তার বেহাল দশা। এতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকার মানুষদের।

হাঁটু সমান কাদা। পূর্ণিমা ও অমাবশ্যার সময় পানির চাপে রাস্তার বিভিন্ন স্থানে ভেঙে গেছে। এছাড়া জোয়ারের পানিতে পাশাপাশি পাঁচটি গ্রামের ভেতরে দুটি এলাকা কেওয়াবুনিয়া ও ঝোপখালি গ্রামের বাড়িঘরেও ওঠে পানি। উঠোনের শাক-সবজি-ফসল পানির নিচেই থাকে। বর্ষায় পানি জমে রাস্তায় কর্দমাক্ত হয়ে ওঠে। এ রাস্তা দিয়ে সাত হাজার লোকের যাতায়াত। পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাব্বি বলে, স্কুলে যাওয়ার সময় জুতা হাতে নিয়ে স্কুলে যেতে হয়। অনেক সময় জামা-কাপড় ও স্কুল ব্যাগ কাদা ও পানিতে নষ্ট হয়ে যায়।

উত্তর বেতাগী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক রাসেল সাবরিন বলেন, বর্ষায় রাস্তায় কাদা হওয়ার কারণে কোমলমতি শিশুদের পোশাক নষ্ট হয়ে যায় এবং অনেক কষ্ট করে বিদ্যালয়ে আসতে হয়। বর্ষাকালে বেশি বৃষ্টি হলে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি সংখ্যা কমে যায়। রাস্তাটি দ্রুত সংস্কারের দাবি জানাই।

ঝোপখালী গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা নূরুল ইসলামের ছেলে সোহেল আমিন বলেন, এই এলাকাগুলো ঘনবসতিপূর্ণ গ্রাম। জনপ্রতিনিধিদের গাফিলতির কারণে এক কিলোমিটার রাস্তা পাকা হচ্ছে না। রাস্তাটি পাকা করলে জনসাধারণের আর দুর্ভোগ থাকে না বলে আমি মনে করি।

সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মিলন তালুকদার বলেন, এ রাস্তা সংস্কারে চাহিদাপত্র দেওয়া হয়েছে। বেতাগী সদর ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান মো. হুমায়ুন কবির খলিফা বলেন, গত অর্থবছরে এ ধরনের বরাদ্দ ছিল না। তবে ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ হলে রাস্তাটি সংস্কার করা হবে।