বাউফলে রাতের আধারে ক্লাবঘর কুপিয়েছে দুর্বৃত্তরা


Barisal Crime Trace -HR প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২২, ৪:০৬ পূর্বাহ্ণ /
বাউফলে রাতের আধারে ক্লাবঘর কুপিয়েছে দুর্বৃত্তরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাউফল // পটুয়াখালীর বাউফলে নাজিরপুর ইউনিয়নে রাতের আধারে ক্লাবঘর কুপিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

 

জানা যায়, গত ৬ সেপ্টেম্বর নাজিরপুর ইউপি উপ-নির্বাচন শেষ হয়েছে অথচ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রায়ই দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সহিংসতার সৃষ্টি হয়। যার ফলে নানা ধরনের বিপাকে পড়তে হয় নিরীহ মানুষদেরকে।

 

২০ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার সময় ধানদী বাজার ০পয়েন্টের উত্তর পার্শে দলিল উদ্দিন খাঁনের দোকানঘর (বর্তমানে ক্লাবঘর) রাতের আধারে দুর্বৃত্তরা কুপিয়ে জরাজীর্ণ করে রাখে।

 

স্থানীয়সূত্রে জানা যায়, অনেক দিন আগে ধানদী গ্রামের বাসিন্দা মাসুদ রানা (৫০) ঐ দোকানঘরটি দলিল উদ্দিনের কাছ থেকে ব্যবসার কাজে ভাড়া নেয়। নির্বাচন আসলে ঘরটিকে তারা চশমা মার্কার ক্লাবঘর হিসেবে ব্যবহার করে।

 

 

মাসুদ রানা গনমাধ্যমকে বলেন, আমি চশমা মার্কার ক্লাবঘর বানিয়েছি সে জন্য আবু বকর মাষ্টার তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে আমার ঘর কুপিয়েছে।এবং নির্বাচনের সময় আবু বকর মাষ্টার নিজে ফিরোজ নামের একটি ছেলেকে হাতুরি দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে পাঠায়।

 

কয়েকদিন আগে আবু বকর মাষ্টার বাদী হয়ে আমি সহ ১৮ জনের নামে একটি মিথ্যা মামলা করে। ঘটনার দিন আমরা আদালতে হাজির হয়ে আসি। বিজ্ঞ আদালত সব আসামিকে জামিন দিয়ে দেয়। তাতে আমাদের উপর তার আরো ক্ষোভ বাড়ে।

 

সে আমাদেরকে ধানদী ছাড়া করবে বলে হুমকি দেয় এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। আর সেইদিন রাতেই এঘটনা ঘটে।

 

আমার অপরাধ আমি নির্বাচনে চশমা মার্কার সমর্থক ছিলাম। আবু বকর স্যারের সাথে আমার কোন ব্যক্তিগত শত্রুতা নাই।

 

এ দিকে আবু বকর মাষ্টার বলেন আমরা নৌকা করেছি বলে আমাদেরকে ঘর থেকে বের হতে দিচ্ছেনা। আমরা ঘরবন্ধি হয়ে রয়েছি। তারা সবসময় রাস্তায় মহড়া দেয়। এবং বিভিন্ন ভাবে আমাকে হুমকি দেয়। এমনকি ধানদী বাজারে আমার কয়েকটি দোকানঘর রয়েছে এগুলো চশমা মার্কার সমর্থরা বন্ধ করে দিয়েছিল। আমি প্রশাসনের সহায়তায় এগুলো আবার খুলেছি। আর তারা নিজেরা রাতের আধারে নিজেদের ঘর কুপিয়ে আমাকে দোষারোপ করছে।

 

 

নাম বলতে অনিচ্ছুক স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক মহলের নিরীহ মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন আমরা ইউনিয়নে শান্তি চাই। নির্বাচন আসলেই কিছু মানুষ তাদের ব্যক্তিগত শত্রুতা হাসিল করার জন্য এ ধরনের সহিংসতার সৃষ্টি করে। যার দোষ প্রার্থীদের মাথায় নিতে হয়। কোন প্রার্থী বলেনা তোমরা গিয়ে মারামারি কর। তারপরও অতি উৎসাহি কিছু লোক রয়েছে তারা এ সমস্ত সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে।

 

আমরা এই সহিংসতা চাই না। যারা এই সন্ত্রাসী কার্যকলাপে লিপ্ত থাকে তাদেরকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।

 

 

বাউফল থানা অফিসার্স ইনসার্স আল মামুন বলেন ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি।