আগৈলঝাড়ায় এতিমখানায় চাঁদাবাজি করতে গিয়ে দিনভর অবরুদ্ধ কথিত ৩ সাংবাদিক

Barisal Crime Trace
প্রকাশিত জুন ১৪ সোমবার, ২০২১, ১০:১৪ পূর্বাহ্ণ
আগৈলঝাড়ায় এতিমখানায় চাঁদাবাজি করতে গিয়ে দিনভর অবরুদ্ধ কথিত ৩ সাংবাদিক

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বরিশালের আগৈলঝাড়ায় সাংবাদিক পরিচয়ে একটি এতিমখানায় চাঁদাবাজি করতে গিয়ে দিনভর অবরুদ্ধ থাকার পর মুচলেকায় মুক্তি পেয়েছে ৩ প্রতারক। রবিবার গৈলা ইউনিয়নের পূর্ব সুজনকাঠী হাজী বাবন উদ্দিন নেছারিয়া এতিমখানায় এই ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বরিশালক্রাইমট্রেসডটকমকে জানান, সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ২টি মোটরসাইকেলযোগে ৩ জন ব্যক্তি হাজী বাবন উদ্দিন নেছারিয়া এতিমখানায় গিয়ে নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন তথ্য জানতে চায়। এতিমখানায় বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ আছে উল্লেখ করে তারা আর্থিক সুবিধা দাবি করে। তাদের অসংলগ্ন কথাবার্তায় সন্দেহ হওয়ায় এতিমখানার তত্বাবধায়ক বিষয়টি তাৎক্ষনিক এতিমখানা পরিচালনা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও আগৈলঝাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাতকে জানান। খবর পেয়ে চেয়ারম্যান রইচ সেরনিয়াবাত এতিমখানায় গিয়ে তাদের পরিচয় জানতে চাইলে তারা নিজেদের সাংবাদিক বলে দাবি করে।

এরা হলেন বাকেরগঞ্জের কৃষ্ণকাঠী গ্রামের মৃত আবুল কালাম গাজীর ছেলে গাজী আনোয়ার হোসেন (৪৭), তার ছেলে একটি কলেজের ছাত্র গাজী আসাদুজ্জামান রাকিব (২২) এবং পটুয়াখালীর মীর্জাগঞ্জ এলাকার ইসহাক হাওলাদারের ছেলে মো. ইয়াসিন হাওলাদার (২৮)। ৩ জনের পরিচয়পত্রই মেয়াদোত্তীর্ন। তদের পরিচয়পত্রে উল্লেখিত কথিত সম্পাদকের নম্বরে উপজেলা চেয়ারম্যান একাধিকবার ফোন দিলেও অপরপ্রান্তে কেউ ফোন রিসিভ করেননি।

এদিকে ভুয়া সাংবাদিক আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় সাংবাদিকরা খবর নিতে ওই এতিমখানায় যায়। বৈধ পরিচয়পত্র দেখাতে না পাড়ায় এতিমখানা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি বারেকগঞ্জের সাংবাদিকদের জানান। শেষ বিকেলে স্থানীয় সাংবাদিকের উপস্থিতিতে ওই ৩ প্রতারককে আর কোথাও সাংবাদিক পরিচয় না দেয়ার শর্তে মুচলেকায় ছেড়ে দেয়া হয় বলে জানান উপজেলা চেয়ারম্যান রইস সেরনিয়াবাত। তবে এ বিষয়ে কিছু জানা নেই বলে জানিয়েছেন আগৈলঝাড়া থানার ওসি গোলাম ছরোয়ার।




আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি বরিশাল ক্রাইম ট্রেস”কে জানাতে।
ই-মেইল করুনঃ[email protected]