অক্টোবরের ১৫ দিনে ডেঙ্গুতে ৩৪ জনের মৃত্যু


Barisal Crime Trace -FF প্রকাশের সময় : অক্টোবর ১৬, ২০২২, ১:৪৬ অপরাহ্ণ /
অক্টোবরের ১৫ দিনে ডেঙ্গুতে ৩৪ জনের মৃত্যু

ক্রাইম ট্রেস ডেস্ক : ডেঙ্গুতে এ বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবরের প্রথম ১৫ দিন পর্যন্ত মারা গেছেন ৮৯ জন। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই মারা যান সেপ্টেম্বরে ও অক্টোবরের ১৫ তারিখের মধ্যে। সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গুতে মারা যান ৩৪ জন, অন্যদিকে অক্টোবরের ১৫ দিনেই মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৪ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সর্বশেষ ডেঙ্গু পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, চলতি মাসে দেশে একদিনে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা বছরের সর্বোচ্চ ৭৬৫ জন। আর একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুবরণ করেছেন আটজন। তাছাড়া এ মাসের প্রথম ১৫ দিনে ডেঙ্গুরোগীর সংখ্যা ৮ হাজার ২৩৪ জনে দাঁড়িয়েছে।

চলতি বছর একমাসে সর্বোচ্চ ৯ হাজার ৯১১ জন হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার রেকর্ড ছিল সেপ্টেম্বরে। তবে অক্টোবরের ১৫ দিনেই আট হাজারের অধিক ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় সেপ্টেম্বরের রেকর্ড ভেঙে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে ১২৬ জন, ফেব্রুয়ারিতে ২০ জন, মার্চে ২০ জন, এপ্রিলে ২৩ জন, মে মাসে ১৬৩ জন, জুনে ৭৩৭ জন, জুলাইয়ে এক হাজার ৫৭১ জন, আগস্টে ৩ হাজার ৫২১ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি হন।

ঢাকার বাইরে ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি আক্রান্তের সংখ্যা কক্সবাজার জেলায়। এ জেলায় এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৩৯৫ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৫৭ জন, সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ হাজার ৩১৭ জন আর মারা গেছে ২১ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি বছর ১ জানুয়ারি থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৪ হাজার ৩২৬ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২১ হাজার ৩৪৮ জন।

চলতি বছরের ২১ জুন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। এরপর জুলাই মাসে ৩ জন ও আগস্টে ১১ জন মারা যান।

২০০০ সালের পর থেকে প্রতিবছর বহু মানুষ ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হচ্ছেন, মারাও যাচ্ছেন। করোনা মহামারি চলাকালে ২০২০ সালে ডেঙ্গুর প্রকোপ কিছুটা কমলেও ২০২১ সালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ২৮ হাজার ৪২৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হন। তাদের মধ্যে ১০৫ জনের মৃত্যু হয়।

করোনা মহামারি শুরুর আগে ২০১৯ সালে এক লাখের বেশি মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছিল।