বরিশালে শ্রমিক দলের প্রস্তুতি সভায় হাতাহাতি


Barisal Crime Trace -FF প্রকাশের সময় : অক্টোবর ১৯, ২০২২, ৪:৪১ অপরাহ্ণ /
বরিশালে শ্রমিক দলের প্রস্তুতি সভায় হাতাহাতি

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল : বরিশালে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ উপলক্ষে আয়োজিত শ্রমিক দলের প্রস্তুতি সভায় দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এতে আহত হয়েছেন জেলা শ্রমিক দলের দুজন।

বুধবার সকালে নগরের সদর রোডে বিএনপি কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। আহত দুজন হলেন জেলা শ্রমিক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল সরদার ও জেলা শ্রমিক দলের প্রচার সম্পাদক বাচ্চু মিয়া।

সভায় উপস্থিত শ্রমিক দলের কয়েকজন নেতা জানান, বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সভাস্থলে আসেন জেলা শ্রমিক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল সরদার। এ সময় দলীয় কার্যালয়ের নিচতলায় তাঁর ওপর হামলা চালান মহানগর শ্রমিক দলের নেতা মো. রিয়াজসহ তাঁর সহযোগীরা।

কামাল সরদারকে মারধর করা হয়েছে। এতে তাঁর গায়ের জামাও ছিঁড়ে গেছে। কামালের সঙ্গে থাকা জেলা শ্রমিক দলের প্রচার সম্পাদক বাচ্চু মিয়াকেও মারধর করা হয়। পরে সভাস্থল থেকে নেতারা এসে ও পুলিশ সদস্যদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিত শান্ত করা হয়।

এ বিষয়ে কামাল সরদার বলেন, ‘মহানগর শ্রমিক দলের আহ্বায়ক ফয়েজ আহমেদের ইন্ধনে এই হামলা হয়েছে। হামলাকারীরা আমার জামা ছিঁড়ে ফেলে এবং সভায় ঢুকতে বাধা দেয়। এ সময় ধস্তাধস্তিতে আমার ঠোঁট ফেটে জখম হয়। অপর শ্রমিক দল নেতা বাচ্চু মিয়ার ওপরও হামলা চালিয়ে তাকেও আহত করা হয়েছে। আমরা দুজনই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছি।’

সভায় আমন্ত্রণ না পেয়ে মহানগর শ্রমিক দলের আহ্বায়ক ফয়েজ আহমেদসহ অন্যরা ক্ষুব্ধ হয়ে এই হামলা চালিয়েছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা যায়। এ বিষয়ে ফয়েজ আহমেদ বলেন, ‘আমি জানি না ওখানে কারা, কী উদ্দেশ্যে সভা আহ্বান করেছে। আমাকে দাওয়াত দেওয়া হয়নি। সে জন্য আমি যাইনি। আমি যেখানে যাইনি, সেখানে মারধরের বিষয়টি আমার জানা নেই।’

শ্রমিক দল সূত্রে জানা যায়, সভায় বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার শ্রমিক দলের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও অন্য নেতারা অংশ নেন। আগামী ৫ নভেম্বর বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশ সফল করার জন্য এই সভা আহ্বান করে বরিশাল জেলা শ্রমিক দল। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সহসাধারণ সম্পাদক এ এম জি ফারুক। সভায় সভাপতিত্ব করেন বরিশাল বিভাগীয় শ্রমিক দলের সহসভাপতি মজিবর রহমান।

মজিবর রহমান বলেন, ‘সভায় একটু ঝামেলা হয়েছিল। পরে আমরা হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি শান্ত করেছি। তবে এটা অনাকাঙিক্ষত ঘটনা।’ এদিকে সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে ১৫ অক্টোবর আয়োজিত হিজলা উপজেলা বিএনপির প্রস্তুতিমূলক কর্মিসভা দুই পক্ষের হাতাহাতিতে পণ্ড হয়ে যায়।