ফুলকপির বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি


Barisal Crime Trace -GF প্রকাশের সময় : নভেম্বর ২২, ২০২২, ২:১২ অপরাহ্ণ /
ফুলকপির বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

নিজস্ব প্রতিবেদক : দিনাজপুরের বিরামপুরে চলতি মৌসুমে ফুলকপির ভালো ফলন হয়েছে। অল্প খরচে লাভ বেশি হওয়ায় ফুলকপি চাষ করে হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে। খরচের তুলনায় লাভ বেশি হওয়ায় দিনদিন বিরামপুর উপজেলায় জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ফুলকপি চাষ।

 

অনুকূল আবহাওয়া, সময়মত বীজ বপন ও সুষম সার ব্যবহারের উপজেলায় এবার ফুল কফির ফলন ভালো হয়েছে। এতে লাভের মুখ দেখছেন চাষীরা। এলাকার উৎপাদিত কপি চাহিদা মিটিয়ে সরবরাহ হচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলায়। এ অঞ্চলের চাষীরা তাদের উৎপাদিত কপি এখন বাজারজাত করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। বাজারে দামও পাচ্ছেন ভালো।

 

 

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি সবজি রবি ফসল মৌসুমে প্রায় ১২শ ৮০ হেক্টর জমিতে রকমারী শীতকালীন সবজির আবাদ করা হয়েছে।

 

 

উপজেলার বেশ কিছু এলাকা ঘুরে কৃষকদের সাথে কথা হলে তারা বলছেন, শীতকালীন সবজি কপি আবাদ করে ভালো লাভ হওয়ায় এখানকার কৃষকরা শীতকালীন সবজি চাষে ক্রমেই আগ্রহী হয়ে উঠছে। তবে এবছর ফুলকপির চাষ ও ফলন ভালো হয়েছে।

 

 

সবজি বিক্রি বিষয়ে কথা হয় চাষিদের সাথে, কষ্ট করে ফুলকফি চাষ করলে বিক্রির বিষয় নিয়ে কোনো চিন্তা নেই। দাম কম বেশি হলেও এ অঞ্চলে সবজি গাড়ি যোগে বিভিন্ন জেলায় যায়। কাঁচামাল ব্যবসায়ীরা জমি থেকে পিচ হিসাবে কেনে। তবে সবমিলিয়ে ফুলকফি চাষে অনেক সুবিধা বলে তারা মনে করছেন।

 

 

ফুলকফি চাষি উপজেলা মুকুন্দপুর গ্রামের হবিবু্র রহমান বলেন, আগাম জাতের ফুল কফির চাষে ব্যয়বহুল খরচ হয়েছে বিশেষ করে সার কীটনাশকের দাম বেশি হওয়ায় কৃষক হতাশ হয়ে পড়েছে। প্রতিবছরের চেয়ে এবছর খরচ বেড়েছে দ্বিগুণ তার পরেও সবজি চাষের শুরুতেই ফলন ও বাজার ভালো হওয়ায় সবজি চাষে কিছুটা পুষিয়ে উঠেছে।

 

 

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ নিকছন চন্দ্র পাল জানান, উপজেলায় ফুলকফি চাষিরা অত্যান্ত শ্রমজীবী এবং ফসল চাষেও অলসতা নেই। যেকারণে তারা ফসলের চাষ করে সুফল পাচ্ছে। এছাড়াও উপজেলা কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাগণ নিয়মিত চাষিদের পাশে থেকে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে প্রতিটি ফসল চাষের জন্য কৃষকদের সাথে মাঠ পর্যায়ে পরামর্শ দিয়ে চলেছে।