মুলাদীতে পরকীয়ায় বাধা, ১০ জনকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ


Barisal Crime Trace -HR প্রকাশের সময় : নভেম্বর ২৩, ২০২২, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ণ /
মুলাদীতে পরকীয়ায় বাধা, ১০ জনকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ

মুলাদী প্রতিনিধি : বরিশালের মুলাদীতে পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় ১০ জনকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার গাছুয়া ইউনিয়নের মধ্যগাছুয়া গ্রামের মেছের সরদারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। খালার পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় বোনের ছেলে ও তার সহযোগীরা হামলা চালিয়ে অন্তত ১০ জনকে আহত করেছে।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, জনৈক বিধবা নারীর সঙ্গে পার্শ্ববর্তী পৈক্ষা গ্রামের রাজ্জাক ওরফে সিডু বেপারীর ছেলে রিপন বেপারীর পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। রিপন বেপারী প্রায়ই ওই নারীর ঘরে যাওয়া আসা করত। গত সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে রিপন বেপারী ওই নারীর ঘরে যায়। টের পেয়ে স্থানীয়রা সেখানে গিয়ে তাদের আপত্তিকর অবস্থায় দেখে রিপনকে আটক করে ইউপি সদস্য (মেম্বার) জাকির মাতুব্বরকে সংবাদ দেন।

ইউপি সদস্য ঘটনাস্থলে পৌঁছতে বিলম্ব করার সুযোগে বিধবা নারী মোবাইল ফোনে তার বোনের ছেলে ও তার সহযোগীদের আসতে বলেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সাব্বির ও তার সহযোগীরা মেছের সরদারের বাড়িতে যায়। সেখানে মেছের সরদারের ছেলে রফিককে জিজ্ঞাসা করেই ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে শুরু করে। ওই সময় স্থানীয়রা রফিককে বাঁচাতে গেলে তাদের কুপিয়ে জখম করে সাব্বির ও তার সহযোগীরা। এতে ১০ জন আহত হন।

স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে রাতেই মুলাদী হাসপাতালে নিয়ে আসেন। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় আহতদের বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সবাইকে কুপিয়ে সাব্বির পার্শ্ববর্তী সৈয়দেরগাঁও গ্রামের একটি বাড়িতে গিয়ে পানি চায়। তার গায়ে রক্ত দেখে বাড়ির লোকজন বসিয়ে রেখে ইউপি চেয়ারম্যানকে সংবাদ দেন। ইউপি চেয়ারম্যান লোক পাঠিয়ে সাব্বিরকে পরিষদে নিয়ে যান।

সংবাদ পেয়ে মুলাদী থানা পুলিশ সাব্বির এবং রিপন বেপারীকে গ্রেফতার করে। এ ঘটনায় আহত রফিকের স্ত্রী সাহিদা বেগম বাদী হয়ে সাব্বিরসহ ৬ জনকে আসামি করে মঙ্গলবার দুপুরে মুলাদী থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসএম মাকসুদুর রহমান বলেন, পরকীয়ায় বাধা দেওয়ার ঘটনায় হামলা চালিয়ে কয়েকজনকে কুপিয়ে জখম করেছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। ওই মামলায় সাব্বির ও রিপনকে গ্রেফতার দেখিয়ে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।