কুয়াকাটার সাংবাদিক খান এ রাজ্জাক আর নেই


Barisal Crime Trace -FF প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ১, ২০২২, ৯:২৪ অপরাহ্ণ /
কুয়াকাটার সাংবাদিক খান এ রাজ্জাক আর নেই

কুয়াকাটা সংবাদদাতা : কুয়াকাটা প্রেসক্লাব দপ্তর সম্পাদক ও দৈনিক সমকালের কুয়াকাটা প্রতিনিধি এবং কুয়াকাটা খানাবাদ ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক খান এ রাজ্জাক স্টোক করে বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ……………… রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৪৭ বছর। তিনি কুয়াকাটা খানাবাদ ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক (হিসাব বিজ্ঞান বিভাগ) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি নাসির উদ্দিন বিপ্লব জানান, খান এ রাজ্জাক বিকেল ৪টায় তাঁর ছেলেকে নিয়ে বাসায় যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে আলীপুর-মহিপুর এলাকার শেখ রাসেল সেতুর টোলঘর সংলগ্ন একটি তৈলের দোকানের বাথরুমে যান এবং সেখানে তিনি অসুস্থ হয়ে পরলে তাকে দ্রুত কুয়াকাটা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর দুই ছেলের মধ্যে বড় ছেলে মো. শাকিব খান (১৪) লেবুখালী শেখ হাসিনা ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৯ম শ্রেণীতে এবং ছোট ছেলে মো. সিয়াম খান (১০) লতাচাপলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণীতে পড়াশোনা করছে। তাঁর স্ত্রী মোসা. সুরাইয়া বেগম লতাচাপলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন।

খান এ রাজ্জাককে শেষবারের মত একবার দেখার জন্য মরদেহ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে তাঁরই কর্মস্থল কুয়াকাটা খানাবাদ ডিগ্রি কলেজ মাঠে রাখা হবে এবং সকাল ১০টায় সেখানেই তাঁর নামাজের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে। খান এ রাজ্জাক তাঁর বাবা মরহুম শামসুল হক খানের একমাত্র সন্তান ছিলেন।

খান এ রাজ্জাকের মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পরলে কুয়াকাটা সাংবাদিক অঙ্গণসহ সর্বত্র এক শোকের ছায়া নেমে আসে এবং প্রিয় সহকর্মীকে দেখার জন্য সবাই ছুটে যান লতাচাপলী ইউনিয়নস্থ মাইটভাঙ্গা গ্রামের তাঁর বাড়িতে। এদিকে খান এ রাজ্জাকের মৃত্যুর সংবাদ শুনে তাঁর কর্মস্থল দৈনিক সমকালের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন মঞ্জু, বার্তা সম্পাদক খায়রুল বাশার শামীম ও মফস্বল সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলাম বার বার ফোন দিয়ে বরিশাল ব্যুরো, পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধির কাছে খান এ রাজ্জাক ও তাঁর পরিবারের খোঁজ-খবর নেন এবং যথাযথভাবে খোঁজ-খবর রাখার জন্য স্থানীয় প্রতিনিধিদেরকেও নির্দেশ দেন তারা।

খান এ রাজ্জাকের মৃত্যুতে স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মো.মহিব্বুর রহমান মুহিব, কেন্দ্রীয় বিএনপি‘র প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন, কুয়াকাটা পৌরসভার মেয়র মো.আনোয়ার হাওলাদার, লতাচাপলী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আনছার উদ্দিন মোল্লা, কুয়াকাটা প্রেসক্লাব, মহিপুর প্রেসক্লাব, কলাপাড়া প্রেসক্লাব, কলাপাড়া রিপোর্টাস ইউনিটি, কলাপাড়া রিপোর্টাস ক্লাব, পটুয়াখালী প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সংগঠন ও ব্যক্তি গভীর শোক প্রকাশ ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন।