ঝালকাঠিতে ছয়টি পণ্য একত্রে না কিনলে মিলছে না টিসিবির পণ্য

Barisal Crime Trace
প্রকাশিত এপ্রিল ১২ সোমবার, ২০২১, ০৬:৩৫ অপরাহ্ণ
ঝালকাঠিতে ছয়টি পণ্য একত্রে না কিনলে মিলছে না টিসিবির পণ্য

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রমজান উপলক্ষে ঝালকাঠিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি শুরু করেছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। শরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে খেজুর-ছোলাসহ ছয়টি পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে। এই পণ্য কিনতে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের ভিড় বেড়েছে।

তবে বিক্রয়কাজে ডিলারের নিয়োজিত শ্রমিকদের ইচ্ছে মতো পণ্য না কিনলে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে গ্রাহকদের। ছয়টি পণ্য একত্রে না কিনলে তাকে দেয়া হচ্ছে না খুচরা কোনো পণ্য।

সোমবার (১২ এপ্রিল) সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে, জেল গেট, ফায়ার সার্ভিসের সামনে, পুরাতন কলেজ খেয়াঘাট, পৌরসভার সামনে, থানার মোড়, সাধনার, কলেজ মোড়, আড়দ্দারপট্টিসহ বিভিন্ন টিসিবির পণ্য বিক্রি হচ্ছে।

তবে কারও তেল, চিনি, ডাল প্রয়োজন, পেঁয়াজের দরকার নেই। আবার কারও পেঁয়াজ প্রয়োজন, অন্য পণ্য লাগবে না। কিন্তু টিসিবি ডিলারদের ট্রাক থেকে পণ্যগুলো এভাবে আলাদা করে কিনতে পারছেন না। একসঙ্গে প্যাকেজের মতো তাদের সবই কিনতে হচ্ছে ৯০০ টাকা দিয়ে। এতে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে ক্রেতাদের মধ্যে।

এ বিষয়ে অভিযোগ ওঠার পর টিসিবি কর্মকর্তারা মৌখিকভাবে ডিলারদের সতর্ক করলেও কোনো লাভ হচ্ছে না। কেউ শুধু একটি বা দুটি পণ্য চাইলে তাকে ফেরত দিচ্ছে।

দুপুর দেড়টা। ঝালকাঠি শহরের জেলখানা সড়কে নিকি এন্টারপ্রাইজ নামে টিসিবি ডিলার পাঁচটি পণ্য দিচ্ছে। এগুলো হচ্ছে- তেল, চিনি, ডাল, ছোলা ও পেঁয়াজ। খেজুর বিক্রির শুরুতেই নাকি শেষ হয়েছে। তবে ওই পাঁচটি পণ্য একসঙ্গে না নিলে কাউকে খুচরা দেয়া হচ্ছে না। তাই পণ্য না কিনেই ফিরে গেছেন অনেকে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিলারের নিয়োজিত টিসিবি পণ্য বিক্রেতা কবির হোসেন বলেন, প্যাকেজ না করলে আমাদের সব মালপত্র চলে না। তাই এভাবে বিক্রি করছি।’

এ ব্যাপার টিসিবির বরিশাল আঞ্চলিক কার্যালয়ের সহকারী কার্যনির্বাহী (অফিস প্রধান) শাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমি এ মুহূর্তে ঘটনাস্থলে যেতে পারছি না। তাই বিষয়টি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কর্তৃপক্ষকে জানালে তারা ঘটনার সত্যতা পেলে ডিলারের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে। তবে প্যাকেজ করে পণ্য বিক্রি সম্পূর্ণ অবৈধ ও অন্যায়।’

এ ব্যাপারে ঝালকাঠি জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণের সহকারী পরিচালক ইদ্রানী দাস বলেন, ‘আমি যতদূর জানি, টিসিবির সব পণ্য বিক্রি করতে বলেছে জেলা প্রশাসন। তাই হয়তো ডিলাররা এ পদ্ধতিতে পণ্য বিক্রি করছে। তাই প্রশাসনের সঙ্গে কথা না বলে কিছুই করতে পারব না।




আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি বরিশাল ক্রাইম ট্রেস”কে জানাতে।
ই-মেইল করুনঃ[email protected]