মঠবাড়িয়ায় সেতু ভেঙে খালে এক বছর, চলাচলে দুর্ভোগ


Barisal Crime Trace -HR প্রকাশের সময় : জুন ৬, ২০২৪, ৪:৪২ পূর্বাহ্ণ /
মঠবাড়িয়ায় সেতু ভেঙে খালে এক বছর, চলাচলে দুর্ভোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার পশ্চিম ফুলঝুরি হাওলাদার বাড়ি ও তুষখালী জমাদ্দার বাড়ির সংলগ্ন খালের ওপর নির্মিত সংযোগ সেতুটি ভেঙে খালে পড়েছে। এতে গত ১ বছর ধরে হাজার-হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।

দীর্ঘ দিনেও সেতুটি পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ না নেওয়ায় মঠবাড়িয়া বাজার, গুদিঘাটা বাজার, তুষখালী বাজার ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াতসহ কয়েকটি গ্রামের মানুষ প্রতিনিয়ত চলাচলে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। গত ২৩ বছর আগে নির্মিত হয়েছিল লোহার এই সেতুটি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বছর খানেক আগে বালুর জাহাজ চলাচলের সময় ধাক্কা লেগে পিলারের ক্ষতি হলে সেতুটি ভেঙে খালে পড়ে যায়। এতে কয়েকটি গ্রামের মানুষের চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে যায়। সম্প্রতি সংসদ সদস্য শামীম শাহনেওয়াজ উদ্যোগ নিয়ে সেতুর পাশে বাঁশের সাঁকো তৈরি করে প্রাথমিকভাবে পারাপারের ব্যবস্থা করেন। পায়ে হেঁটে চলা ছাড়া অন্য কোনো যানবাহন চলতে পারে না। এতে তুষখালীসহ কয়েকটি গ্রামের মানুষেরা উপজেলা বৃহৎ ব্যবসা কেন্দ্র মঠবাড়িয়া হাটে কৃষিপণ্যসহ ব্যবসার মালামাল নিতে ভোগান্তিতে রয়েছেন।

ধানী সাফা এলাকার বাসিন্দা তারেক হাওলাদার জানান, ২৩ বছর আগের নির্মাণ করা সেতুটি গত বছর পুরোপুরি ভেঙে খালে পড়ে গেছে। সংস্কারের অভাবে সেতুটির এমন অবস্থা। দুই গ্রামের হাজার হাজার মানুষের যাতায়াতের মাধ্যম ছিল সেতুটি।একটি বাঁশের সাঁকো করা হয়েছে। এটা চলাচলের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। মাসুম গাজী বলেন, বালুর জাহাজের ধাক্কায় সেতু ভেঙে পড়ায় এখন আমাদের বিকল্প পথে ঘুরে যাতায়াত করতে হয়। এতে শিশু-নারী, বৃদ্ধ, রোগীসহ স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তাই দ্রুত নতুন একটি সেতু দরকার।

তুষখালী ইউনিয়ন তোফেল আকন মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কবির হোসেন বলেন, এ সেতু পার হয়ে খালের ওপারের শিক্ষার্থীরা এ পাড়ের একটি কলেজ, দুটি হাই স্কুল, দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসায় পড়াশোনা করে।

উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী জিয়ারুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আশা করি, দ্রুত এই সেুতটি প্রাক্কলন তৈরি করে অনুমোদনের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। অনুমোদন ও অর্থ বরাদ্দ পেলে নতুন সেতু নির্মাণ করা হবে।