বিমানবন্দরে নিরাপত্তাকর্মীর চড় খেলেন বিজেপির এমপি কঙ্গনা


Barisal Crime Trace -HR প্রকাশের সময় : জুন ৭, ২০২৪, ১২:৩১ পূর্বাহ্ণ /
বিমানবন্দরে নিরাপত্তাকর্মীর চড় খেলেন বিজেপির এমপি কঙ্গনা

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: লোকসভা নির্বাচন ভারী ভোটে জয়ী ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) এমপি কঙ্গনা রানাউতকে চড় দিয়েছেন চণ্ডীগড় বিমানবন্দরের এক নারী নিরাপত্তাকর্মী। খবর এনডিটিভির।

বৃহস্পতিবার (৬ জুন) সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়, চণ্ডীগড় বিমানবন্দরের ওই নারী নিরাপত্তাকর্মীর নাম কুলিওন্দার কউর। তিনি সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্সের (সিআইএসএফ) সদস্য। ‘কৃষক আন্দোলনকে সমর্থন করেন’ বিধায় কঙ্গনাকে চড় দিয়েছেন তিনি, এমন অভিযোগ বিজেপির নতুন এমপির। ওই নারীকে আটক করা হয়েছে।

ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরে এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, বিকেলে হিমাচল প্রদেশের মণ্ডী লোকসভা কেন্দ্রের সদ্য নির্বাচিত সদস্য কঙ্গনা চণ্ডীগড় থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেন। স্থানীয় সময় বিকেল ৩টার দিকে বিস্তারার বিমানে ওঠার কথা ছিল তার। নিয়ম অনুযায়ী তিনি নিরাপত্তা তল্লাশির জন্য যান। সেখানে সিআইএসএফ সদস্য কুলিওন্দার কউরের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়।

মূলত, তল্লাশির সময় কঙ্গনা তার মোবাইল ফোন নির্দিষ্ট ট্রে’তে রাখতে রাজি হচ্ছিলেন না। বিষয়টি নিয়ে তাকে সতর্ক করেন কুলিওন্দার। তারপরও কঙ্গনা তার কথা না মানায় দুজনের মধ্যে তর্কবিতর্ক হয়। এক পর্যায়ে কুলিওন্দারকে ধাক্কা দেন কঙ্গনা। এর পরিপ্রেক্ষিতে কুলিওন্দারও তাকে চড় দেন।

ঘটনা পরবর্তী একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনার পর দিল্লিতে নেমে সিআইএসএফর ডিরেক্টর জেনারেল নীনা সিংহসহ অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেখা করে কঙ্গনা। চণ্ডীগড় বিমানবন্দরের ঘটনা সম্পর্কে তাদের জানান। পরে নিরাপত্তারক্ষী কুলিওন্দারের বিরুদ্ধে হেনস্থার অভিযোগ করেন।

ইন্ডিয়া টুডের খবরে বলা হয়েছে, এ ঘটনার পর কুলিওন্দারকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। মোবাইল ফোন ট্রে’তে রাখা নিয়ে দুজনের বচসার কথা তিনি জানালেও কঙ্গনা এ কথা মানতে নারাজ। তার অভিযোগ, ওই নারী নিরাপত্তাকর্মী কৃষক আন্দোলনের সমর্থক। তাই তাকে আক্রমণ করেছেন।

এসব ঘটনার পর মাইক্রোব্লগিং সাইট এক্স’এ একটি ভিডিও পোস্ট করেন বিজেপির এমপি কঙ্গনা। তিনি বলেন, বন্ধুরা আমার কাছে অনেক কল আসছে। প্রথমেই জানাই, আমি ভালো আছি। আজ চণ্ডীগড় বিমানবন্দরে নিরাপত্তা তল্লাশির পর আমি যখন বেরোলাম, পাশের একটি কেবিন থেকে এক নারী নিরাপত্তারক্ষী বেরিয়ে এসে পাশ থেকে আমার গালে চড় মারেন। আমাকে গালিগালাজও করেন। আমি ওকে যখন জিজ্ঞেস করলাম, কেন উনি এমন করলেন, উনি বললেন, উনি কৃষক আন্দোলনকে সমর্থন করেন। আমি নিরাপদে আছি। কিন্তু পাঞ্জাবে যেভাবে আতঙ্কবাদ এবং উগ্রবাদ বেড়ে চলেছে, তা নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন।