পিরোজপুরে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে লক্ষাধিক শিশু শিক্ষার্থী


Mahadi Hasan প্রকাশের সময় : জুলাই ৮, ২০২৪, ৫:৩৫ অপরাহ্ণ /
পিরোজপুরে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে লক্ষাধিক শিশু শিক্ষার্থী

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: পিরোজপুরের অধিকাংশ বিদ্যালয়ে সুপেয় পানি ও মানসম্মত সেনিটেশন ব্যবস্থা না থাকায় স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে জেলার লক্ষাধিক শিশু শিক্ষার্থী। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার আধুনিক ব্যবস্থা থাকলেও রয়েছে সেনিটেশন ও বিশুদ্ধ পানির দূরাবস্থা। ফলে শিশুর মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

অভিভাবকরা জানান, পিরোজপুরে শিক্ষাপ্রদানের মানে উর্ধ্বগতি থাকলেও অধিকাংশ বিদ্যালয়ে নেই মানসম্মত সেনিটেশন ব্যবস্থা। পাওয়া যায় না সুপেয় পানিও। এমন অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যাদের টয়লেটগুলো পুরানো হওয়ায় ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

জেলার অধিকাংশ বিদ্যালয়ে সুপেয় পানি ও মানসম্মত সেনিটেশন ব্যবস্থা না থাকায় স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে লক্ষাধিক শিশু শিক্ষার্থী। জেলার অধিকাংশ বিদ্যালয়ে সুপেয় পানি ও মানসম্মত সেনিটেশন ব্যবস্থা না থাকায় স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে লক্ষাধিক শিশু শিক্ষার্থী। ফলে সেগুলোর ব্যবহার যেমন একদিকে কমেছে অন্যদিকে পানির পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব হচ্ছে না।

অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে নেই টিউবয়েল। ফলে পানির জন্য নদী কিম্বা পুকুরের পানির ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। ফলে শিশু শিক্ষার্থীদের দুর্ঘটনার আশংকা বাড়ছে। আর শিক্ষার্থী মেধা বিকাশের সুষ্টু পরিবেশ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

জেলার অধিকাংশ বিদ্যালয়ে সুপেয় পানি ও মানসম্মত সেনিটেশন ব্যবস্থা না থাকায় স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে লক্ষাধিক শিশু শিক্ষার্থী। পিরোজপুর জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. হাসনাত ইউসুফ জাকী বলেন, জেলার অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সুপেয় পানি ও মানসম্মত সেনিটেশন ব্যবস্থা না থাকায় একদিকে যেমন আক্রান্ত হচ্ছে পেটের পিড়ায় অন্যদিকে বাধাপ্রস্ত হচ্ছে মানসিক বিকাশ।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কুমারেশ চন্দ্র গাছি বলেন, অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ওয়াশ ব্লক না থাকায় কিছু প্রতিষ্ঠানে শুরু হয়েছে এর নির্মাণ কাজ। তাছাড়া সব স্কুলের টিউবয়েলের পানি পানযোগ্য নয়।

অন্যদিকে প্রতিষ্ঠানের এসব নির্মাণ কাজ মানসম্পন্ন না হওয়ার ব্যাপারে প্রশ্ন তুলেছে শিক্ষা বিভাগ। জেলার ৯৯২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রায় ৬ শতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নেই প্রয়োজনীয় সুপেয় পানির ব্যবস্থা। আর জেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১ লাখ ৪০ হাজার ৪৯০ জন।