শোক দিবসেv খাবার নিয়ে হুড়োহুড়ি! দরজার কাঁচ ভেঙ্গে আহত ৪

Barisal Crime Trace
প্রকাশিত আগস্ট ১৬ সোমবার, ২০২১, ০৯:০৩ পূর্বাহ্ণ
শোক দিবসেv খাবার নিয়ে হুড়োহুড়ি! দরজার কাঁচ ভেঙ্গে আহত ৪

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ বাঙালি জাতির শোকাবহ দিন। এই দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়েছিলো।

সারা দেশে এই দিনটিকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে সমগ্র জাতি। আয়োজন করা হয় দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভার। তবে ঢাকার সাভারে জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠান শেষ হতেই নেতাকর্মীরা খাবার নিয়ে মেতে উঠেন হুড়োহুড়িতে। এতে কমিউনিটি সেন্টারের দরজার কাঁচ ভেঙ্গে আহত হয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যানসহ অন্তত চার জন। তাদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. এনামুর রহমানের উপস্থিতিতেই এমন ঘটনা ঘটে বলে জানান নেতাকর্মীরা।

রোববার (১৫ আগস্ট) দুপুরে আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগ আয়োজিত বাইপাইল এলাকায় এলাহী কমিউনিটি সেন্টারে জাতীয় শোক দিবস পালন কর্মসূচিতে এই ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- পাথালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পারভেজ দেওয়ান, ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ইমতিয়াজ আহমেদসহ চার জন। তবে সামান্য আহত বাকীদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

আহত পাথালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পারভেজ দেওয়ান বলেন, ওয়াশটোয়াশ, ব্যান্ডেস-ট্যান্ডেস কইরা বাসায় আইছি। গেটের সামনে অনেক ভীড়। আমি একটু সাইডে। আমার সামনে ইমতিয়াজ। সবার সামনে গেট। আমি বুঝলাম না কিছু, দেখিও নাই। উপর থাইকা ঝুপঝুপাইয়া কাঁচ ভাইঙ্গা মস্ত একটা খন্ড আমার পায়ের উপর খুব সজোরে আঘাত করে। আমার স্যান্ডেলের ফিতা ছিলো দেইখা বাঁচছি। না হলেতো খন্ড হইয়া যাওয়ার কথা। আমার মাথার দুইপাশ দিয়া কাঁচের চুড়। ওইগুলা যদি মাথায় পড়তো তাহলেতো একেবারে শ্যাষ হইয়া যাইতাম। কানটান কাইটা গেছে আর ওই পাওটা। কাঁচের আঘাততো অল্পতেই মারাত্মক হইয়া যায়। আমিতো সামনে তারাতারি কইরা কাঁচের মইদ্দে দিয়া হাঁটতেও পারি না। পরে আমার ছেলেপেলে দেইখা সামনে চেয়ার আইনা দিলো। আমি দুই কদম হাইটা বসার পরে গাড়ি দিয়া ওরা হাসপাতালে নিয়া গেছে। আমার সাথে ইমতিয়াজ ছিলো, সেও একটু ব্যথা পাইছে। তখন মন্ত্রী মহোদয়ও ছিলেন।

পাথালিয়া ইউনিয়নের মেম্বার শফিউল আলম সোহাগ বলেন, ‘গাঁদাগাঁদিতে গ্লাস ফাইটা গেছে আরকি। ফাইটা ভাইঙ্গা পইড়া গেছে। কমিউনিটি সেন্টারের গ্লাস আছিলো। আমাগো চেয়ারম্যান সাহেবের পাও কাটছে। হ্যারে হাসপাতালে নিয়া ট্রিটমেন্ট দেয়া হইছে। আর তেমন কারও কিছু হয় নাই।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাহী কমিউনিটি সেন্টারের এক কর্মী বলেন, অনেক চাপাচাপি হইছে। আয়োজন আছিলো এক হাজারের। মানুষ হইছে দুই হাজার। চাপাচাপিতে দরজার বড় গ্লাসটা ভাইঙ্গা ২-৩ জনের গায়ে লাগছে। আমার গায়েও লাগছে একটু। পোলাপানতো ভালো না।’

এলাহী কমিউনিটি সেন্টারের ম্যানেজার মো. জিলানী বলেন, ‘গেটের বাইরে খাবার তখন খাবার দিতে গেছিলো। ওই সময় ধাক্কাধাক্কিতে গ্লাসটা ভাইঙ্গা গেছে।




আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি বরিশাল ক্রাইম ট্রেস”কে জানাতে।
ই-মেইল করুনঃ[email protected]