পটুয়াখালীতে জীবিত থেকেও ১২ ব্যক্তি মৃত! বন্ধ বয়স্কভাতাও

Barisal Crime Trace
প্রকাশিত আগস্ট ২৯ রবিবার, ২০২১, ১২:২৯ অপরাহ্ণ
পটুয়াখালীতে জীবিত থেকেও ১২ ব্যক্তি মৃত! বন্ধ বয়স্কভাতাও

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ পটুয়াখালীর বিভিন্ন উপজেলার এ পর্যন্ত ১২ ব্যক্তি জীবিত থাকার পরও নির্বাচন কমিশনের ডাটাবেজে তারা এখন মৃত। এরমধ্যে মির্জাগঞ্জ উপজেলার আটজন, বাউফলের দুজন, গলাচিপার একজন এবং দুমকির একজন ভুক্তভোগী রয়েছেন। এতে সরকারি সব সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তারা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এ ১২ জন পৃথক সময়ে বয়স্কভাতার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হন। কিন্তু সমাজসেবা অধিদপ্তরে ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমের (এমআইএস) আওতায় ভাতাভোগীদের তথ্য যাচাইয়ের সময় দেখা দেয় বিপত্তি। জীবিত থেকেও নির্বাচন কমিশনের ডাটাবেজে তাদের মৃত দেখানোয় বন্ধ হয়ে যায় ভাতা।

২০১৯ সালের জুলাই মাসে বয়স্কভাতার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হন। কোনো জটিলতা ছাড়াই তিনি ভাতা উত্তোলন করেছেন। কিন্তু ২০২০ সালের জুলাই থেকে নতুন করে তথ্য যাচাইয়ের সময় তার ভাতা বন্ধ হয়ে যায়। কারণ, ভোটার তালিকার হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী তিনি মৃত।

শুধু তিনি নন এই উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের আরও সাতজন জীবিত থেকেও নির্বাচন কমিশনের ডাটাবেজে মৃত। এতে তাদেরও ভাতা বন্ধ রয়েছে। এরই মধ্যে বিষয়টি সংশোধনের জন্য উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের আমেনা বেগম, সমর্তবান বেগম, সোহরাব গোলদার, মাধবখালী ইউনিয়ন হাজেরা বেগম, কাকড়াবুনিয়া ইউনিয়নের মো.করিম হাওলাদার, মো. খলিল হাওলাদার, মজিদবাড়িয়া আম্বিয়া বেগম ও আবদুল ছত্তার আবেদন করেছেন।

এ বিষয়ে পটুয়াখালী সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শীলা রানী দাস বলেন, বিগত বছরগুলোতে ম্যানুয়ালি বয়স্কভাতা দেয়া হতো। তবে সরকার এমআইএস’র মাধ্যমে বয়স্কভাতা দেয়ার কার্যক্রম শুরু করার পর আমরা যখন এসব ভাতাভোগীদের তথ্য ডাটাবেজে ইনপুট দিচ্ছি, তখন নির্বাচন কমিশনের ডাটাবেজ বলছে এসব ব্যক্তিরা মৃত। এ নিয়ে জেলায় ১২ জনের এ সমস্যা পেয়েছি। সে কারণে তাদের তথ্য দেওয়া যাচ্ছে না। তাই আপাতত ভাতা বন্ধ রয়েছে। তবে এরা যাতে দ্রুত নির্বাচন অফিস থেকে তাদের তথ্য হালনাগাদ করতে পারে, সে জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন অফিসে আমরা বলে দিয়েছি।




আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি বরিশাল ক্রাইম ট্রেস”কে জানাতে।
ই-মেইল করুনঃ[email protected]