মডেল তিন্নি হত্যা মামলার রায় পেছাল

Barisal Crime Trace -HR
প্রকাশিত নভেম্বর ১৫ সোমবার, ২০২১, ০৬:৫৩ অপরাহ্ণ
মডেল তিন্নি হত্যা মামলার রায় পেছাল

বরিশাল ক্রাইম ট্রেস ডেস্কঃ ২০০২ সালের ১০ নভেম্বর রাতে মডেল সৈয়দা তানিয়া মাহবুব তিন্নিকে (২৪) হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় রায় ঘোষণার তারিখ পেছাল। আগামী ৫ জানুয়ারি সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ধার্য করেন আদালত।

সোমবার (১৫ নভেম্বর) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার সপ্তম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ কেশব রায় চৌধুরী এ আদেশ দেন।

এদিন মামলার বাদী মৃত তিন্নির বাবা সৈয়দ মাহবুব করীম ও চাচা সৈয়দ রেজাউল করিম তাদের জবানবন্দি গ্রহণের আবেদন করেন। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে এ তারিখ ধার্য করেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের সহকারি পাবলিক প্রসিকিউটর ভোলা নাথ দত্ত ও মো. সলিম উল্লাহ (খসরু) এই তথ্য জানান।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা জানান, তিন্নির বাবা ও চাচার আংশিক সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছিল। তারা তাদের সাক্ষ্য পুনরায় গ্রহণের আবেদন করেন।

তিন্নির চাচা সৈয়দ রেজাউল করিম জানান, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পরিবর্তনের ব্যাপারে তারা জানতেন না। আগের পিপি তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। তারা পত্রিকায় খবর দেখে আদালতে এসেছেন।

অভিযোগ থেকে জানা গেছে, কেরানীগঞ্জের বুড়িগঙ্গা নদীর এক নম্বর চীন মৈত্রী সেতুর ১১ নম্বর পিলারের পাশে ২০০২ সালের ১০ নভেম্বর রাতে মডেল তিন্নির মরদেহ পাওয়া যায়। পরদিন অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধে মামলা করেন কেরানীগঞ্জ থানার তৎকালীন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. সফি উদ্দিন। পরে ২০০২ সালের ২৪ নভেম্বর তদন্তভার সিআইডিতে ন্যস্ত হয়।

এরপর মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পান সিআইডির পরিদর্শক সুজাউল হক, সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) গোলাম মোস্তফা, এএসপি আরমান আলী, এএসপি কমল কৃষ্ণ ভরদ্বাজ এবং এএসপি মোজাম্মেল হক। সর্বশেষ তদন্ত কর্মকর্তা মোজাম্মেল হকই ২০০৮ সালের ৮ নভেম্বর সাবেক ছাত্রনেতা ও সাংসদ গোলাম ফারুক অভিকে একমাত্র আসামি করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

২০১০ সালের ১৪ জুলাই অভির বিরুদ্ধে চার্জগঠন করেন আদালত। এরপর চার্জশিটভূক্ত ৪১ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহন করেন আদালত।




আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি বরিশাল ক্রাইম ট্রেস”কে জানাতে।
ই-মেইল করুনঃ[email protected]