বরিশালে সদর সাব রেজিষ্টারের কাছে তিন ভুক্তভোগী নারীর আবেদন


Barisal Crime Trace -HR প্রকাশের সময় : নভেম্বর ২৯, ২০২১, ৮:২১ অপরাহ্ণ /
বরিশালে সদর সাব রেজিষ্টারের কাছে তিন ভুক্তভোগী নারীর আবেদন

নিউজ ডেস্কঃ জমি রেজিষ্ট্রি না করার জন্য বরিশাল সদর সাব রেজিষ্টারের কাছে পৃথক ৩টি আবেদন জমা দিয়েছেন ৩ ভুক্তোভূগী নারী। ২৯ নভেম্বর তারা সদর সাব রেজিষ্টার অফিসে উপস্থিত হয়ে এ আবেদনটি জমা দেয়।

 

আবেদন সূত্রে জানা যায়, বরিশাল সদর উপজেলার ৩নং চরবাড়িয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড চরআবদানীর মৃত. আলী আজীম খানের ছেলে মো. আলতাফ হোসেন খান ও তার স্ত্রী করিহনুর বেগম দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়দের সরলতার সুযোগ নিয়ে তাদের কাছে বিভিন্ন অংকের টাকা পয়সা ধার নেয়। কিন্তু দীর্ঘদিন পার হয়ে গেলেও আলতাফ ও তার স্ত্রী কারও টাকাই ফেরত দেয় নি। সেই টাকা চাইতে গেলে আলতাফ ও তার স্ত্রী পাওনাদাদের নানা ভাবে হুমকি দামকী দেয় বলে জানান একাধিক ভূক্তভোগী।

আবেদন সূত্রে আরও জানা যায়, একই এলকার জাহাঙ্গীর হোসেন শামীমের স্ত্রী নাসরিন বেগম মুন্নির কাছ থেকে ৩লক্ষ, আব্দুল্লাহ আল মামুনের স্ত্রী সিমা বেগমের কাছ থেকে ১লক্ষ ৮০ হাজার ও মৃত. মাহফুজ সরকাদের স্ত্রী মোসা: নুপুর কাছ থেকে ৩ লক্ষ টাকা নেয় আলতাফ ও তার স্ত্রী। কিন্তু দীর্ঘদিনেও তাদের পাওনা টাকা ফেরত দেয়নি আলতাফ। পরে আলতাফ ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীরা কাউনিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ দায়ের করার পর তদন্তকারী কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে তদন্তে যাওয়ার পরে আলতাফ ও তার স্ত্রী তাকে আশ্বাস দেয় যে জে এল ৪২নং চরআবদানী মৌজার এস এ ১১৪,১২২,২২০ নং খতিয়ানের এস এ দাগ ৫৯১, ৫৯৪, ৫৯৬, ৫২২, ৫২১ নং দাগের বিএস ১৬৬ নং খতিয়ানের বি এস হাল ৪২৯,৪৩০, ৪৩১ নং দাগের জমি বিক্রয় করে তাদের টাকা পরিষোধ করবেন। পরে রাতে আধারে আলতাফ ও তার স্ত্রী স্থানীয় কিছু কুচক্রি মহলের ইন্দনে রাতের আধারে বাসার মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।

পরে ভুক্তভোগীরা খবর পায় আলতাফ ও তার স্ত্রী গোপণা ওই দাগের জমি একই বাড়ির মৃত. জব্বার খানের ছেলে আতিকুর রহমান বাবুল খানের কাছে বিক্রির পায়তারা চালিয়ে আসছে। এমতাঅবস্থায় ভুক্তভোগী অসহায় ৩ নারী বরিশাল সদর রেজিষ্টারের কাছে ওই জমির দলিল যাতে না হয় সেজন্য আবেদন জানান।

এবিষয়ে বরিশাল সদর সাব-রেজিষ্ট্রার মো. ইউসুফ আলী মিয়া সাংবাদিকদের জানান, ওই জমির নতুন দলিল করার জন্য কাগজপত্র জমা পরেছে কিন্তু আমি মৌখিকভাবে অভিযোগ পাওয়ার পরেই এটি স্থগিত করে রেখেছি। আমি তাদের বলেছি এটা আমার বিষয় না, আইন-অনুযায়ী আপনারা বিষয়টি সমাধান করুন।

অপরদিকে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়ার একটি ছবি তোলার অনুমতি চাইলে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে উচ্চ বাক্য ব্যবহার করে বলেন, কিসের ছবি-কোন ছবি হবেনা, সরকার ছবি তোলার জন্য সম্পূর্ণ নিষেধ করেছে।