বাউফলে স্কুলের বাউন্ডারি ওয়াল ভেঙে নির্মাণ সামগ্রি রাখার অভিযোগ

Barisal Crime Trace
প্রকাশিত মে ৩ সোমবার, ২০২১, ০৪:২২ অপরাহ্ণ
বাউফলে স্কুলের বাউন্ডারি ওয়াল ভেঙে নির্মাণ সামগ্রি রাখার অভিযোগ

আরিফুল ইসলাম,বাউফল (পটুয়াখালী): পটুয়াখালীর বাউফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাউন্ডারি ওয়াল ভেঙে রাস্তার নির্মাণ সামগ্রি রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে এক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। এতে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

 

দ্বীপ এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান উপজেলার কনকদিয়া স্যার সলিমুল্লাহ স্কুল এন্ড কলেজের বাউন্ডারি ওয়াল ভেঙে দিয়ে স্কুল লাগোয়া বাজারে চলমান সিসি রাস্তার কাজে ব্যাবহৃত মিক্সার মেশিনসহ ওই নির্মাণ সামগ্রি রাখে।

 

বিদ্যালয়ের কয়েকজন অভিভাবক ও শিক্ষার্থী জানায়, কনকদিয়া বাজার এলাকায় ২৭লক্ষ টাকা ব্যায়ে উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের ২০১৯-২০ অর্থ বছরের ১১৯মিটার দৈর্ঘ্য ও ৫মিটার প্রস্থের সিসি রাস্তার চলমান নির্মাণ কাজ করছেন দ্বীপ এন্টারপ্রাইজ নামে এক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

 

কাজটি ক্রয় করে ওই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আখিনুর এর দেবর জসিম উদ্দিন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন অভিভাবক আক্ষেপ করে বলেন, ‘লকডাউনে স্কুল বন্ধ। এই সুযোগে স্কুলের বাউন্ডারি ওয়াল ভেঙে দিয়ে রাস্তার নির্মাণ সামগ্রি রাখা হয়েছে।

 

ক্লাস খোলা থাকলে ছাত্রছাত্রীরাই এভাবে তাদের প্রিয় স্কুলের ওয়াল ভাঙতে দিত না।’ অপর একজন অভিভাবক বলেন, ‘কাজের সঙ্গে রাজনৈতিক প্রভাবশালী জড়িত থাকায় রাস্তাটিতে লোহার বাইনডিং, প্রস্থ, ছাদ বেইজ ও ডব্লুবিএম নির্ধারিত ব্যাবধানে থাকলেও স্থানীয় কেউ কোন কথা বলতে পারছেন না।

 

ঠিক একই ভাবে বাউন্ডারি ওয়াল ভেঙে নির্মাণ সামগ্রি রাখলেও কোন কথা বলতে সাহস করছেন না কেউ। এখন শুকনো মৌসুমে মালামাল রাখার জায়গার কোন অভাব নেই।

 

স্কুল প্রতিষ্ঠানের বাউন্ডারি ভেঙে দিয়ে সেখানে মালামাল রাখতে হবে এটা কেমন কথা। কোন বিবেকবান লোক এটা কি ভাবে মেনে নিবেন।’

 

এ ব্যাপারে স্কুল এন্ড কলেজটির প্রধান শিক্ষক নার্গিস আক্তার মোবাইল ফোনে (০১৭১৬৯০০৮৫৬) বলেন, ‘আমার কি করার আছে! স্কুলের কমিটি মিটিংয়ে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। নিরুপায় হয়ে মেনে নিতে হয়েছে।

 

তবে কাজের শেষে বাউন্ডারি ঠিক করে দিবেন মর্মে সভাপতির উপস্থিতিতে ঠিকাদারের লোকজন লিখিত দিয়েছেন।’ এ ব্যাপের স্কুলের সভাপতি আখিনুর বেগমের সঙ্গে যোগাযোগের চেস্টায় তাকে পাওয়া যায়নি।

]

প্রধান শিক্ষক মোবাইলফোনে তার সঙ্গে সংযোগ ঘটিয়ে দিবেন জানালেও পরবর্তিতে একাধিক বার চেস্টাতেও প্রধান শিক্ষক নিজেই আর মোবাইল ফোন রিসিভ করেননি।

 

এ ব্যাপারে ঠিকাদারি জাহাঙ্গীর হোসেনের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে (০১৭১৩৯৫৫৯৮২) একাধিক ফোন দিয়ে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। কাজের দায়িত্বে থাকা উপজেলা সহকারি প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম জানান, একটি প্যাকেজে অনেক কাজ থাকায় সর্বদা কাজের সামনে থাকা যায়না।




আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি বরিশাল ক্রাইম ট্রেস”কে জানাতে।
ই-মেইল করুনঃ[email protected]