বরগুনায় গ্রাম আদালতের নিস্ক্রিয় বিচার কার্যক্রম

Barisal Crime Trace
প্রকাশিত মে ৫ বুধবার, ২০২১, ০৪:৪৬ অপরাহ্ণ
বরগুনায় গ্রাম আদালতের নিস্ক্রিয় বিচার কার্যক্রম

ইফতেখার শাহীন, বরগুনা>> বরগুনা জেলার ৬ টি উপজেলার ইউনিয়নগুলোয় প্রতিষ্ঠিত গ্রাম আদালতের বিচার কার্যক্রম নিস্ক্রিয় হয়ে পড়েছে এবং ঢিমাতালে দু’একটি ইউনিয়নে বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হলেও তাতে স্বচ্ছতা নেই বলে দাবী বিচার প্রার্থীদের।

 

স্বল্প খরচে গ্রাম আদালতে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা হলে জেলা-উপেেজলা আদালতের মামলার জট অনেকটা কমে যাবে এবং লাঘব হবে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর দুর্ভোগ।

 

এমন ধারণা নিয়ে গ্রাম আদালত প্রতিষ্ঠিত হলেও সে আদালতের বিচার ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে এখনও বিশ্বাস প্রতিষ্ঠিত হয়নি বরগুনা জেলার গ্রামাঞ্চলের সাধারণ মানুষের।

বৃটিশ শাসনামলে প্রথম পল্লী স্বায়ত্তশাসন অধ্যাদেশ দিয়ে ১৯১৯ সালে তৎকালীন ইউনিয়ন বোর্ডকে বিচারিক ক্ষমতা দেয়া হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর তারই ধারাবাহিকতায় বিচারিক ক্ষমতা বাড়িয়ে ১৯৭৬ সালের গ্রাম আদালত বিধিমালা আইনে পরিণত হয় ২০০৬ সালে।

 

গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর ছোট খাটো বিরোধ স্থানীয় পর্যায় নিষ্পত্তি এবং তারই সাথে খরচ আর দুর্ভোগ কমাতে আইনটিকে আরও শক্তিশালী করে ২০১৩ সালে সংশোধন করা হয়। বর্তমানে এ আইনে ইউনিয়ন পরিষদগুলোতে চলছে দেওয়ানী, ফৌজদারি ও পারিবারিক বিচার।

 

গ্রামীন পর্যায়ে এ বিচার ব্যবস্থা চালু হলেও জেলার ৬ টি উপজেলার ইউনিয়নগুলোর গ্রাম আদালতের বিচার কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়েছে।

 

সরেজমিনে দেখা গেছে, বরগুনা জেলায় উপজেলাগুলোর বেশীরভাগ ইউনিয়ন পরিষদে গ্রাম আদালতের বিচার কার্যক্রম প্রায় নিস্ক্রিয়, আর যেগুলো চালু আছে তাতে নেই কোন স্বচ্ছতা, দায়সারাভাবে বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হয়, এমন অভিযোগ বিচার প্রার্থীদের।

 

এ বিষয়ে বরগুনার জেলা প্রশাসক মোঃ হাবিবুর রহমান বলেন, ইউপি নির্বাচন শেষে সকল উপজেলার গ্রাম আদালতগুলো সচল এবং বিচারকার্যে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।




আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি বরিশাল ক্রাইম ট্রেস”কে জানাতে।
ই-মেইল করুনঃ[email protected]