করোনাকালে শুকনো কাশি থেকে মুক্তি মিলবে যেভাবে

Barisal Crime Trace -HR
প্রকাশিত মে ৬ বৃহস্পতিবার, ২০২১, ০৩:০৮ অপরাহ্ণ
করোনাকালে শুকনো কাশি থেকে মুক্তি মিলবে যেভাবে

স্বাস্থ্য ডেস্কঃ করোনায় সংক্রমিত হলে শুকনো কাশি থেকে যাচ্ছে দীর্ঘ দিন। তার সঙ্গী আবার গলায় ব্যথা, জ্বালা। এমন কাশি বেশিক্ষণ চললে মুখের ভিতরটাও শুকনো লাগে। খাবার গিলতে অসুবিধা হয়। এখানে এমন কিছু পরামর্শ দেওয়া হলো যা শুকনো কাশির কষ্টের হাত থেকে কিছুটা হলেও মুক্তি দিতে পারবে।

মধু
গলায় ব্যথা হোক বা খুসখুস করুক, মধু খানিকটা আরাম দেবেই। এতে ব্যক্টিরিয়া এবং ফাঙ্গাসের সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতা রয়েছে। আর রয়েছে অনেক অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট। গরম জলে দু’চামচ মধু ফেলে খেতে হবে রোজ, দু’বার করে। তাতে অনেকটাই আরাম পাবে গলা।

আদা
অনেক অসুখ সারাতেই কাজ করে ‌আদা। বিশেষ করে কোনও ধরনের সংক্রামক রোগের ক্ষেত্রে খুবই কার্যকর। কাশি না কমলে বাড়িতেই আদা দিয়ে চা করে খাওয়া যায় দিনে একাধিক বার। গলা আরাম পাবে। অন্য খাবার খাওয়ার সময়ে সঙ্গে একটু আদা দেওয়া চা রাখা যায়। তাতে খাবার গিলতে সুবিধা হয়।
লবণ-পানি

গরম পানিতে লবণ ফেলে মাঝেমাঝেই গার্গল করা যেতে পারে। লবণ জীবাণু তাড়াতে সাহায্য করে। সংক্রমণের কারণে শরীরে যে জীবাণু ঢুকেছে, তার সঙ্গে লড়তে পারে লবণ। লবণ-পানি গার্গল করলে, সঙ্গে সঙ্গেই যে কমে যাবে কাশি, এমন নয়। কিন্তু দু’-তিন দিন টানা করলে গলা অনেকটাই ভাল হয়ে উঠবে।




আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি বরিশাল ক্রাইম ট্রেস”কে জানাতে।
ই-মেইল করুনঃ[email protected]

প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে দুস্থ, ভূমি ও গৃহহীনদের কাছ থেকে দুই লাখ টাকার বেশি হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের এক উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তার (তহশিলদার) বিরুদ্ধে। তার নাম মো. নজরুল ইসলাম। তিনি উপজেলার আমড়াগাছিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কর্মরত। ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের একাধিক দুস্থ, ভূমি ও গৃহহীন মানুষকে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন ভূমি কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম। প্রতিটি ঘরের জন্য ৩০ হাজার টাকা করে চুক্তি করেন তিনি এবং ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে অগ্রিম ১০ হাজার টাকা করে নেন। এভাবে ২০-২৫টি পরিবারের কাছ থেকে দুই লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নেন। উত্তর আমড়াগাছিয়া গ্রামের মো. মজিবর হাওলাদার বলেন, ঘর দেওয়ার কথা বলে আমার কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা নিয়েছেন তহশিলদার নজরুল। এখন ঘরও দিচ্ছেন না, টাকাও ফেরত দিচ্ছেন না। আমড়াগাছিয়া গ্রামের জতিন গোলদার বলেন, আমার মাধ্যমে আমার ছেলে সুদেব গোলদার ও একই গ্রামের মোতালেব, জলিল, গোপাল চন্দ্র, রাসেল, হালিমা ও আলমসহ সাতজনকে ঘর দেওয়ার কথা বলে মোট ৭০ হাজার টাকা নেন ভূমি অফিসের তহশিলদার নজরুল। দীর্ঘ দিন হলেও ঘর না পাওয়ায় আমরা টাকা ফেরত চাওয়ায় তিনি বলেন, ‘অপেক্ষা করেন, ঘর পাবেন। আমি মন্ত্রণালয়ে তালিকা পাঠিয়েছি।’ আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের শ্রীনগর গ্রামের গোলাম কিবরিয়া বলেন, আমাদের গ্রামের দুই রিকশাচালক শাহ আলম ও আবু সিদ্দিককে ঘর দেবে বলে আমার মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা নিয়েছেন তহশিলদার। ঘরের তো কোনো খবর নাই, টাকা চাইলেই নানান টালবাহানা করেন। অভিযোগের বিষয়ে আমড়াগাছিয়া ইউনিয়ন উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা (তহশিলদার) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, আমি কারো কাছ থেকে কোনো টাকা নেইনি। সব অভিযোগ ভিত্তিহীন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসা. তানিয়া ফেরদৌস বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হব