স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা বন্ধ: ছাত্ররা ঝুঁকে পড়েছে গেমে হতে পারে মানুসিক রোগে আক্রান্ত

Barisal Crime Trace
প্রকাশিত মে ৯ রবিবার, ২০২১, ০৫:৪১ অপরাহ্ণ
স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা বন্ধ: ছাত্ররা ঝুঁকে পড়েছে গেমে হতে পারে মানুসিক রোগে আক্রান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক>> মহামারী করোনাভাইরাস এর কারণে স্কুল-কলেজ- মাদ্রাসা বন্ধ থাকায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পাড়া-মহল্লায় উটতি বয়সী শিশু কিশোর এমনকি তারুনরাও স্মার্টফোন আর অনলাইন ভিত্তিক নানা গেমস এ আসক্ত হয়ে পড়ছে।

 

মোবাইল ফোন সহজ হওয়ায় এবং হাতের নাগালের মধ্যে থাকা ইন্টারনেটেই এ অবস্থার জন্য দায়ী বলে মনে করা হচ্ছে। বর্তমানে এই মোবাইল গেমস অধিক আসক্ত হয়ে পড়ছে শিশু থেকে শুরু করে কিশোর বাদ যায়নি তরুণরা, এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে গ্রাম গুলোতেও।

কলাপাড়া উপজেলার বিভিন্ন চায়ের দোকানি জানান, পোলাপান প্রতিদিন আমার দোকানের পাশের বেঞ্চে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বসে কানে ইয়ারফোন লাগিয়ে মোবাইল টিপতে থাকে, ওরা নাকি কি গেম খেলে।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় খোঁজখবর নিয়েও জানা গেছে প্রতিদিন সকাল থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত কিশোররা স্কুল মাঠ, ফাঁকা জায়গা এবং বাজারে চায়ের দোকানগুলোতে এক সাথে অনেকে বসে কানে এয়ারফোন লাগিয়ে মোবাইলে ভিডিও গেম খেলতে দেখা গেছে।
বর্তমানে কয়েকগুণ বেড়েছে এই গেমের জনপ্রিয়তা মোবাইল এবং কম্পিউটার দুটোতেই খেলা যায় এই গেম তবে ফ্রী-ফায়ার,পাবজি গেমস টি কম্পিউটার ভার্সনে থাকা হলেও মোবাইল ভার্সনটি বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এর কারণেই শিশু কিশোর তরুণরাও বেশি আসক্ত হয়ে পড়েছে।
 জ্ঞানী ও সুশীল সমাজ বলেছেন, অনেক সময় অতিরিক্ত সময় ধরে খেলা অনলাইন গেমস আসক্তির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
আবার সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম অনলাইন গেম সম্পর্কে ঠিকমতো ধারণা না থাকায় সন্তানের ঠিকমতো খোঁজখবর রাখতে পারে না, এক্ষেত্রে তাই সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি বিশেষ করে অভিভাবকদের ছেলেমেয়েদের বিষয়ে সচেতন থাকা জরুরি।
সচেতন মহল বলেছেন স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকার কারণে শিশু-কিশোর মোবাইলে বেশি ধরনের  আসক্ত হয়ে পরছে। তবে এসব গেমস আসক্তির কারণে কিশোররা পারিবারিক,
সামাজিক অবস্থান থেকে বিচ্যুত হয়ে যাচ্ছে, সাথে সাথে পড়াশোনা ও অমনোযোগী হয়ে পড়ছে। এমনকি  এটি আলোচিত আরেক ব্লু হোয়েল গেমের মতো কোন পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।
কেবল শারীরিক ক্ষতির কারণেই নয় এই পাবজি,ফ্রী -ফায়ার গেম টি সেই সাথে মানসিক রোগের কারণও হতে পারে গেমস গুলো।
সুশীল সমাজ, জ্ঞানী, সচেতন মহল বলেছেন, করোনার পরিস্থিতি কম থাকলে অথবা স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা খুলে দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন,
আরো বলেছেন যে স্কুল-কলেজ,মাদ্রাসা খুলে দিলে  ছেলে মেয়েরা লেখা-পড়ায় আবার আগের মতো মনোযোগী হয়ে পড়বে তাতে তাদের গেমস বা মোবাইল কম্পিউটার নিয়ে ব্যাস্থ থাকার কোন সুযোগ থাকবে না বলে জানিয়েছেন।




আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি বরিশাল ক্রাইম ট্রেস”কে জানাতে।
ই-মেইল করুনঃ[email protected]