নিজস্ব প্রতিবেদক : ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির শাহাদাতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বরিশাল মহানগরী শাখা।

 

শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর)এক যৌথ শোকবার্তায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও বরিশাল মহানগরী আমীর মাওলানা জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর এবং বরিশাল মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা মতিউর রহমান বলেন, শহীদ শরীফ ওসমান হাদি ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের একজন অতন্দ্র প্রহরী এবং অকুতোভয় সৈনিক। তিনি আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে ছিলেন এক বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর। তার বজ্রকণ্ঠে কেঁপে উঠেছিল আধিপত্যবাদের মসনদ।

তারা অভিযোগ করে বলেন, আধিপত্যবাদের দোসর সন্ত্রাসী আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ ঘোষিত সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের দিয়ে টার্গেট কিলিংয়ের পথ বেছে নেয়। তারা ওসমান হাদিকে লক্ষ্য করে মাথায় গুলি করে। ঘাতকের বুলেটে গুলিবিদ্ধ হয়ে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

 

তারা আরও বলেন, ওসমান হাদির শাহাদাতে জাতি হারালো এক বিরল প্রতিভাকে। তিনি ছিলেন বুদ্ধিদীপ্ত, সাহসী, আপোষহীন ও নির্ভীকতার প্রতীক। তিনি একাধারে গবেষক, কবি, বিতার্কিক, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার প্রতিবাদকারী এবং নিখাঁদ দেশপ্রেমিক ছিলেন। জুলাই বিপ্লবের মহানায়ক ওসমান হাদি বিপ্লব-পরবর্তী ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের বহু প্রতিবিপ্লবী অপচেষ্টা রুখে দেওয়ার অন্যতম কারিগর ছিলেন। তার শাহাদাতে জাতির অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে।

 

হাদির রূহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান তারা।

 

ওসমান হাদি (৩৩) গত ১২ ডিসেম্বর ঘাতকের গুলিতে আহত হন। পরবর্তীতে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাতে তিনি শাহাদাত বরণ করেন। নেতৃবৃন্দ দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাঁর হত্যার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।