মুলাদী প্রতিনিধি: বরিশালের মুলাদীতে হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে কার্যকারিতা পরীক্ষা করার সময় জনতার হাতে আটক দুই যুবককে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। গত শুক্রবার রাতেই তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

 

বিস্ফোরণের অভিযোগে আটক হলেও তাদের কাছে হাতবোমা না পাওয়ায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ। এঘটনায় স্থানীয় জনতার মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ পালিয়ে যাওয়া যুবককে গ্রেপ্তারের চেষ্টা না করে জনতার হাতে আটক ব্যক্তিদের ছেড়ে দেওয়ায় প্রশাসনের ভুমিকা নিয়েও জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

 

জানা গেছে, গত শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার সফিপুর ইউনিয়নের জয়ন্তী নদীর উত্তর পাড়ে চরমালিয়া বাজার এলাকায় হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটনায় ২ যুবক ও ১ মোটরসাইকেল চালক। ওই সময় স্থানীয় জনতা সোহাগ ব্যাপারী নামের এক যুবক এবং মোটরসাইকেল চালক রুবেল খানকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। পালিয়ে যাওয়া যুবক পলাশ রাড়ীর কাছে ব্যাগভর্তি হাতবোমা ছিলো বলে স্বীকার করেন আটক যুবকেরা। পরে তাদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশের কাছে আবেদন জানান স্থানীয় বাসিন্দরা। রাতে বোয়ালিয়া পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক মজিবুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং যুবকদের ফাঁড়িতে নিয়ে যান।

 

 

বোয়ালিয়া পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক মজিবুর রহমান বলেন, বিস্ফোরণের অভিযোগে ২যুবককে স্থানীয় বাসিন্দারা আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। কিন্তু তাদের কাছে হাতবোমা পাওয়া যায়নি এবং বিস্ফোরনের আলামত না পাওয়ায় ওই দুজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

 

 

মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরাফাত জাহান চৌধুরী বলেন, স্থানীয়দের হাতে আটক যুবকেরা ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালায়। তাদের কাছে হাতবোমা না পাওয়ায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।