নিজস্ব প্রতিবেদক : বাল্যবিয়ের তদন্তে গিয়ে কনের বাবাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘুষ দাবীর অভিযোগ উঠেছে ইউপি সচিবের বিরুদ্ধে। বিষয়টি এলাকায় চাউর হওয়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাঙ্গিলা গ্রামের।
অভিযুক্ত ইউপি সচিব অবিনাষ বাড়ৈ বার্থী ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত রয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, আমি প্রশাসনকে সম্মান জানিয়ে মেয়ের বয়স ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দিব না মর্মে মুচলেকা দেই। রবিবার (১৮ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে এগারটার দিকে আমার বাড়িতে আসেন বার্থী ইউনিয়ন পরিষদের সচিব অবিনাষ বাড়ৈ। এ সময় আমার মেয়েকে আবার বাল্যবিয়ে দিছি কিনা জানতে চান। মেয়েকে বাল্যবিয়ে দেই নাই জানিয়ে তার সামনে হাজির করার পরেও আমাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বিভিন্ন কৌশলে আমার কাছে এক লাখ টাকা দাবি করেন। পরবর্তীতে আমি তাকে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে রক্ষা পাই।
বার্থী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক হাওলাদার জানিয়েছেন, ইউএনও’র নির্দেশে বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়। রবিবার কাউকে না জানিয়ে ইউপি সচিব অবিনাষ ওই বাড়িতে যান। সেখানে যাওয়ার পর এক ইউপি সদস্য তাকে পাঁচশ টাকা দেয়। কিন্তু ইউপি সচিব দুই হাজার টাকা দাবি করেন। এতে স্থানীয়রা উত্তেজিত হয়ে পরলে কৌশলে সে (ইউপি সচিব) সেখান থেকে পালিয়ে এসেছে বলে শুনেছি।
তিনি আরও বলেন, ইউপি সচিব অবিনাষের কারনে ইউনিয়নের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। তার শাস্তিসহ অন্যত্র বদলীর দাবী করছি।
গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইব্রাহীম জানিয়েছেন-বাল্যবিয়ে বন্ধ করা হয়েছিলো। তবে কাউকে তদন্তে পাঠানো হয়নি। ওই ইউপি সচিবের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।