নিজস্ব প্রতিবেদক : সংশ্লিষ্টদের তথ্য মতে, আগামী ১৬ মার্চ থেকেই মূলত শুরু হবে বরিশালমুখী মানুষের স্রোত। এবং ফিরতি যাত্রা ২৫ মার্চ পর্যন্ত চলবে।

ঢাকা-বরিশাল রুটের লঞ্চের আগামী ১৬ মার্চ থেকে ১৮ মার্চ পর্যন্ত সব ধরনের কেবিন বুকিং রয়েছে। তবে ফিরতি যাত্রার বুকিং নিতে মালিক সমিতির বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত হবে।

প্রিন্স আওলাদ-১০ লঞ্চের বরিশাল কাউন্টারের তানভীর ইসলাম জানান, ঢাকা থেকে বরিশাল যাত্রার সব ধরনের কেবিন এরইমধ্যে বিক্রি হয়েছে।

এম খান-৭ লঞ্চের ম্যানেজার শুভ বলেন, ‘ঈদের যাত্র‍া সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি তাদের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে। ঈদে বরিশাল যাত্রার সব ধরনের কেবিন বুকিং রয়েছে।

 

এদিকে সড়কপথের চিত্রটাও খুব একটা স্বস্তির নয়। বরিশালগামী বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হলেও ফিরতি টিকিট মিলছে না সহজে।

 

বাস সংশ্লিষ্টদের দাবি, জ্বালানি সংকটের কারণেই তারা ২৩ তারিখের পরের ফিরতি টিকিট বুকিং নিতে সাহস পাচ্ছেন না।

 

লাবিবা পরিবহনের বরিশালের ম্যানেজার জানিয়েছেন, বিগত বছরগুলোতে ঘরমুখো অধিকাংশ মানুষ একসাথেই রিটার্ন টিকিট কিনে রাখতো। কিন্তু এবছর রিটার্ন কোনো টিকিটের অগ্রিম বুকিং রাখা হচ্ছে না। কারণ জ্বালানি তেলের সংকট তীব্র রূপ ধারণ করতে পারে।

 

হানিফ পরিবহনের বরিশাল কাউন্টারের ম্যানেজার মামুন জানান, ফিরতি যাত্রায় তেলের সংকট না থাকলে কাউন্টারে এসেই টিকিট ক্রয় করতে পারবেন।

 

বরিশাল জেলা বাস মালিক গ্রুপের সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘আশা করছি সড়কে শৃঙ্খলা মেনেই ঈদ যাত্রা সম্পন্ন হবে। তবে তেলের সংকট তৈরি হয়েছে। ঢাকা থেকে একটি যাত্রীবাহী বাস রাউন্ড ট্রিপে ১০০ থেকে ১১০ লিটার তেল দরকার হয়। সেখানে দুই বার বা তিনবারেও একেকটি গাড়িকে তেল নিতে হয়।

 

 

এ বিষয়ে মেঘনা পেট্রোলিয়াম বরিশালের ডিপো ম্যানেজার মো. শাহ আলম জানিয়েছেন, জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই। অবৈধ মজুদ যাতে কেউ করতে না পারে সেজন্য প্রতিটি ফিলিং স্টেশনে একটি সীমা দেয়া রয়েছে।