নিজস্ব প্রতিবেদক : তীব্র তাপদাহ আর ভয়াবহ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের কবলে পড়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে দেশের প্রধান শিল্পনগরী গাজীপুর। একদিকে অসহনীয় গরমে জনজীবন ওষ্ঠাগত, অন্যদিকে টানা লোডশেডিং ও বাজারে ডিজেল-অকটেন সংকটে স্থবির হয়ে পড়েছে কলকারখানার চাকা। এমন পরিস্থিতিতে বড় ধরনের আর্থিক লোকসানের শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন শিল্পোদ্যোক্তারা।
উৎপাদনে ধস:
গাজীপুর ও এর আশপাশের শিল্পাঞ্চলগুলোতে প্রতিদিন গড়ে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে। কারখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে মেশিনারিজ সচল রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। বিজিএমইএ-র তথ্যমতে, গত কয়েক দিনে উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৩০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। বিশেষ করে ডাইং ও ফিনিশিং সেকশনে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ না থাকায় অনেক কাঁচামাল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
গাজীপুর ও এর আশপাশের শিল্পাঞ্চলগুলোতে প্রতিদিন গড়ে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে। কারখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে মেশিনারিজ সচল রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। বিজিএমইএ-র তথ্যমতে, গত কয়েক দিনে উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৩০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। বিশেষ করে ডাইং ও ফিনিশিং সেকশনে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ না থাকায় অনেক কাঁচামাল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
জ্বালানি সংকট ও ব্যয়বৃদ্ধি:
বিদ্যুৎ না থাকলে জেনারেটর চালিয়ে উৎপাদন সচল রাখার চেষ্টা করা হলেও বাজারে ডিজেল ও অকটেন সংকট সেই পথও বন্ধ করে দিয়েছে। স্থানীয় ফিলিং স্টেশনগুলোতে চাহিদামতো তেল মিলছে না। ফলে জেনারেটর বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছে অনেক মাঝারি ও ছোট কারখানা। আর যারা বিকল্প উপায়ে তেল সংগ্রহ করছেন, তাদের উৎপাদন খরচ স্বাভাবিকের চেয়ে ২৫-৩০ শতাংশ বেড়ে গেছে।
বিদ্যুৎ না থাকলে জেনারেটর চালিয়ে উৎপাদন সচল রাখার চেষ্টা করা হলেও বাজারে ডিজেল ও অকটেন সংকট সেই পথও বন্ধ করে দিয়েছে। স্থানীয় ফিলিং স্টেশনগুলোতে চাহিদামতো তেল মিলছে না। ফলে জেনারেটর বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছে অনেক মাঝারি ও ছোট কারখানা। আর যারা বিকল্প উপায়ে তেল সংগ্রহ করছেন, তাদের উৎপাদন খরচ স্বাভাবিকের চেয়ে ২৫-৩০ শতাংশ বেড়ে গেছে।
রপ্তানি ঝুঁকির মুখে:
সময়মতো উৎপাদন শেষ করতে না পারায় আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্য পৌঁছানো (শিপমেন্ট) নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। উদ্যোক্তারা আশঙ্কা করছেন, দ্রুত পরিস্থিতির উন্নতি না হলে অর্ডার বাতিল হতে পারে অথবা চড়া মূল্যে আকাশপথে পণ্য পাঠাতে হবে, যা কারখানার জন্য বড় লোকসান বয়ে আনবে।
সময়মতো উৎপাদন শেষ করতে না পারায় আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্য পৌঁছানো (শিপমেন্ট) নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। উদ্যোক্তারা আশঙ্কা করছেন, দ্রুত পরিস্থিতির উন্নতি না হলে অর্ডার বাতিল হতে পারে অথবা চড়া মূল্যে আকাশপথে পণ্য পাঠাতে হবে, যা কারখানার জন্য বড় লোকসান বয়ে আনবে।
সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য:
শিল্পমালিকদের দাবি, গাজীপুরকে বিশেষ অর্থনৈতিক জোন হিসেবে বিবেচনা করে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হোক। অন্যথায় দেশের পোশাক খাত ও সামগ্রিক রপ্তানি আয়ে বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।
শিল্পমালিকদের দাবি, গাজীপুরকে বিশেষ অর্থনৈতিক জোন হিসেবে বিবেচনা করে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হোক। অন্যথায় দেশের পোশাক খাত ও সামগ্রিক রপ্তানি আয়ে বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।