বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি : গ্রামীণ ক্রীড়া ও লোকজ সংস্কৃতির ঐতিহ্য ধরে রাখতে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের রাজগুরু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী হাডুডু ও লাঠিখেলা।

শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর স্মৃতি সংঘ ও পাঠাগারের উদ্যোগে আয়োজিত এ খেলাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও বিপুলসংখ্যক দর্শকের উপস্থিতিতে মাঠজুড়ে প্রাণচাঞ্চল্যের আবহ তৈরি হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর স্মৃতি সংঘ ও পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল বিভাগ) ইঞ্জিনিয়ার মো. মাহফুজুল আলম মিঠু।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার মাহফুজুল আলম মিঠু বলেন, গ্রামীণ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। খেলাধুলা যুবসমাজকে মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রেখে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে সহায়তা করে। পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করতেও এ ধরনের আয়োজন কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য, রহমতপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. রাজন শিকদার।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল দক্ষিণ জেলা জিয়া মঞ্চের সদস্য সচিব মো. সুমন সরদার, রহমতপুর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মো. রুবেলসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন বাবুগঞ্জ উপজেলা জিয়া মঞ্চের আহ্বায়ক মো. বাহাদুর তালুকদার, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সদস্য সচিব মো. আহমাদুল্লাহ, বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম, বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শাহিন হোসেন রেজা, রহমতপুর ইউনিয়ন কৃষকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সবুজ সরদার, বাবুগঞ্জ উপজেলা জিয়া মঞ্চের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সালামিন শিকদার এবং রহমতপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সুজন বেপারী।

খেলা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। আয়োজকরা জানান, গ্রামীণ ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং তরুণ প্রজন্মকে লোকজ সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত করতেই এ আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।