নিজস্ব প্রতিবেদক : গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কাশিমপুর থানাধীন ৪নং ওয়ার্ডের সারদাগঞ্জ এলাকায় পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা এবং মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।
শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে কাশিমপুরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মাহাবুব কাজীর স্ত্রী কারীমা আক্তার জানান, প্রায় আট বছর আগে তার শ্বশুর মারা যায়। মারা যাওয়ার পূর্বেই তিনি তার সম্পত্তি তার সন্তানদেরকে দলিল করে লিখে দিয়ে গেছেন। কিন্তু বড় ভাই কাজী মাহমুদুল হাসানের চক্রান্তে এখনো পৈত্রিক সম্পত্তির সুষ্ঠু বণ্টন হয়নি। পরিবারের অন্য সদস্যরা সম্পত্তি ভোগ করলেও ছোট ছেলে মাহাবুব কাজীকে পরিকল্পিতভাবে বঞ্চিত করা হচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, বড় ভাই মাহমুদুল কাজী পৈত্রিক সম্পত্তি এককভাবে ভোগদখলে রাখতে বিভিন্ন সময়ে তার স্বামীকে মিথ্যা মামলায় জড়ানো, মানসিক ভারসাম্যহীন ও মাদকাসক্ত হিসেবে প্রচার করে রিহ্যাবে পাঠানোর চেষ্টা এবং নানা ধরনের হয়রানি করে আসছেন।
কারীমা আক্তারের দাবি, প্রায় ৬০০টি দোকান ও কলোনি থেকে প্রতি মাসে আনুমানিক ১৮ লাখ টাকা ভাড়া আদায় হয়। ওই অর্থ আত্মসাতের উদ্দেশ্যেই তার স্বামীকে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা চলছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
তিনি আরও জানান, গত এপ্রিল মাসে স্বামীর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া কথিত হয়রানিমূলক মামলার বিষয়ে কাশিমপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছিল। এরপরও হয়রানি বন্ধ হয়নি। সর্বশেষ মাকে বাদী করে দায়ের করা একটি মামলায় গত ১০ জুলাই কাজী মার্কেট এলাকায় নিজস্ব কলোনির ভাড়া সংগ্রহের সময় পুলিশ মাহাবুব কাজীকে গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে কারীমা আক্তার তার স্বামীর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মিথ্যা ও হয়রানীর উদ্দেশ্যে দায়ের করা মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত, সুষ্ঠু বিচার এবং পৈত্রিক সম্পত্তিতে আইনগত অধিকার ও ভোগদখল নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।