1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
বরিশালে ভুয়া শিক্ষক সেজে প্রণোদনার টাকা আত্মসাৎ - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
হারতায় চেয়ারম্যান পদে জনপ্রিয়তায় শীর্ষে তরিকুল ইসলাম তালুকদার  আওয়ামী লীগ মাটির নিচে চলে গেছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী বরিশালে খাল পরিষ্কারে নেমে কাদায় আটকে গেলেন ইউএনও গলাচিপায় জেন্ডার সমতা ও ডিজিটাল নিরাপত্তায় তরুণদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কর্মশালা বাকেরগঞ্জে এমপি আবুল হোসেনের মাসব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন বানারীপাড়ায় সলিয়াবাকপুর ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ব্যাপক  আলোচনায় রুহুল আমিন জসিম পিরোজপুরে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের ৭১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন লালমোহন উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভরাডুবির পর আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারেন ট্রাম্প বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ৩ হাজার রোগীর খাবার বন্ধের শঙ্কা

বরিশালে ভুয়া শিক্ষক সেজে প্রণোদনার টাকা আত্মসাৎ

  • আপডেট সময় : শনিবার, ২২ নভেম্বর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক : বরিশালের বাকেরগঞ্জে ভুয়া শিক্ষক সেজে সরকারি প্রণোদনার টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে দক্ষিণ নারায়ঙ্গল নেসার মহল দারুস সুন্নত দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে। তিনি করোনা মহামারির সময় দক্ষিণ ভরপাশা নেছারিয়া ইবতেদায়ী মাদ্রাসার নামে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সরকারি প্রণোদনার টাকা উত্তোলন করেন।

তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, দক্ষিণ ভরপাশা নেছারিয়া ইবতেদায়ী মাদ্রাসার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে (সোনালী ব্যাংক, বাকেরগঞ্জ শাখা) মজিবর রহমান নামেই অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। অ্যাকাউন্ট নম্বর: ০৩০২১০০০১৩০৮১, রাউটিং নম্বর: ২০০০৬০২২৪।

সেখানে নিজেকে ওই প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক পরিচয় দিয়ে তিনি সরকারি প্রণোদনার টাকা গ্রহণ করেন। অথচ তার প্রকৃত কর্মস্থল দক্ষিণ নারায়ঙ্গল নেসার মহল দারুস সুন্নত দাখিল মাদ্রাসা।

ঘটনা বিষয়ে কথা বলতে গেলে মজিবুর রহমান প্রথমে দাবি করেন, সকল শিক্ষকের টাকা মাদ্রাসার অ্যাকাউন্টেই জমা আছে। আমি ওই ইবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষক নই, বরং মজিবর মোল্লার স্থানে আমার নাম ব্যবহার করেছি। আমি প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি।

তবে অনুসন্ধানে মজিবর মোল্লা নামের কোনো শিক্ষক অস্তিত্বই পাওয়া যায়নি। অভিযুক্ত শিক্ষক সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে সহযোগিতা করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে সভা কক্ষ ত্যাগ করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাকেরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং দায় নিতে অনীহা দেখান। তিনি বলেন, এটা ম্যানেজিং কমিটি ও ইউএনওর বিষয়।

স্থানীয় শিক্ষার্থী অভিভাবক ও শিক্ষক সমাজ মনে করছেন, শিক্ষা কর্মকর্তা নিয়মিত নজরদারি ও যাচাই-বাছাই করলেই এমন অনিয়ম ঠেকানো সম্ভব ছিল।

এদিকে এলাকাবাসীর দাবি, সরকারি অর্থ আত্মসাৎ ও ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে প্রতারণার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network