নিজস্ব প্রতিবেদক : ভূমিকম্প পূর্ব ও পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি কমানো, উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা এবং উদ্ভূত প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য বরিশালে কর্মশালা ও প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বুধবার সকাল থেকে বরিশালের আউটার স্টেডিয়াম এলাকায় ৭ পদাতিক ডিভিশনের তত্ত্বাবধানে জেলা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্ধারিত সদস্য ও সেচ্ছাসেবক দলের সদস্যদের নিয়ে প্রশিক্ষণ ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
আয়োজিত কর্মশালায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে অংশগ্রহণকৃত ১২০ জন নীতিনির্ধারককে বিষয়ভিত্তিক আলোচনা ও কর্মশালার মাধ্যমে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কর্মপরিকল্পনা নিরূপণ, কার্যপ্রণালি প্রণয়ন ও আন্তঃ প্রতিষ্ঠান সমন্বয় সাধনের উপর প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকৃত মাঠ কর্মী, সেচ্ছাসেবক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করেন করা হয়। এ সময় ৭ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল এম খায়ের উদ্দীন উপস্থিত থেকে অংশগ্রহনকারীদের মধ্যে সনদ পত্র বিতরণ করেন।
এছাড়াও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও স্কুল কলেজ থেকে অংশগ্রহণকৃত ৩৭৫ জন মাঠ কর্মী, সেচ্ছাসেবক ও শিক্ষার্থীদের ২ ডিসেম্বর থেকে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভূমিকম্প পরবর্তী উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা ও প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদানের উপর মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন দল ভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে।
আগামী ৭ ডিসেম্বর অংশগ্রহণকৃত সকল প্রতিষ্ঠানের সদস্যদের অংশগ্রহণে একটি সম্মিলিত মহড়ার আয়োজন করা হবে।
কর্মশালায় ৭ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল এম খায়ের উদ্দীন তার বক্তব্যে বলেন, বরিশাল বড়াবরি বন্যা জলোচ্ছ্বাস ঘূর্ণিঝড়ের মুখোমুখি হয়। পাশাপাশি বাংলাদেশের বিগত অনেক বছর যাবত ভূমিক ভূমিকম্পের ঝুঁকির মধ্যে ছিল এখনও আছে। সামনে যে কোন সময় এই কঠিন মহাবিপর্যয়ের মধ্যে পড়তে হতে পারে। সেই বিপর্যয় আমরা সম্মিলিতভাবে কীভাবে কাটিয়ে উঠতে পারি সেটা জানা ও বোঝার জন্যই কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। কর্মশালার মাধ্যমে আগামীতে ভূমিকম্প পরবর্তী সময়ে আমরা সকলে সতর্ক থাকতে পারবো। এখান থেকে যে জ্ঞান অর্জন করেছে তা সকলের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার আহ্বান জানান তিনি।
অংশগ্রহনকারীরা বলছে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এই উদ্যোগ জেলার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, প্রস্তুতি ও দ্রুত প্রতিক্রিয়া সক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করবে। কর্মশালায় বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি, পুলিশ কমিশনার সহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।