আন্তর্জাতিক ডেস্ক : শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, নেপালের পরে জেন জি বিক্ষোভের জেরে এবার পতন ঘটল বুলগেরিয়ার সরকারের। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভের মুখে নতিস্বীকার করে বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) ইস্তফার কথা জানিয়েছেন বুলগেরিয়ার প্রধানমন্ত্রী রোজেন ঝেলিয়াজকভ।
সংসদে অনাস্থা প্রস্তাবের উপরে ভোটাভুটির কয়েক মিনিট আগেই প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন তিনি। সেই সঙ্গে সরকার ভেঙে দেওয়ারও আশ্বাস দিয়েছেন।
আর্থিক নীতি ও দুর্নীতি মোকাবিলায় ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই রোজেন জেলিয়াজকভ সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে বুলগেরিয়ার সাধারণ মানুষ। মূলত এই বিক্ষোভের নেতৃত্বে ছিল তরুণ প্রজন্ম। পরে সাধারণ মানুষ তাতে সামিল হন। অবিলম্বে ঝেলিয়াজকভকে কুর্সি ছাড়তে হবে বলেও দাবি তুলেছিলেন বিক্ষোভকারীরা।
সময় যত গড়াচ্ছিল ততই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ছিল দেশজুড়ে। গতকাল বুধবার (১০ ডিসেম্বর) বিক্ষোভের ঝড় আছড়ে পড়ে রাজধানী সোফিয়া সহ দেশটির প্রধান শহরগুলিতে। এমনকি বিরোধী দলগুলির তরফে অনাস্থা প্রস্তাবও আনা হয়।
অনাস্থা প্রস্তাবে সরকারের পতন ঘটতে পারে এমন আঁচ পেয়েই শেষ পর্যন্ত ইস্তফার সিদ্ধান্ত নেন বুলগেরিয়ার প্রধানমন্ত্রী রোজেন জেলিয়াজকভ। অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে ভোটাভুটির কয়েক মিনিট আগে টেলিভিশনে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে ইস্তফার কথা ঘোষণা করে তিনি বলেন, ‘আমরা বর্তমান পরিস্থিতি, আমাদের মুখোমুখি চ্যালেঞ্জ এবং আমাদের দায়িত্বশীলতার সঙ্গে নেওয়া সিদ্ধান্তগুলি নিয়ে আলোচনা করেছি। সাধারণ মানুষের দাবিকে সম্মান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর পদে ইস্তফা দিচ্ছি। আমার নেতৃত্বাধীন সরকারও ভেঙে দিচ্ছি।