1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
বাবুগঞ্জে এনজিওর প্রায় ২০ লাখ টাকা নিয়ে দম্পতি উধাও - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০৭:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ঝালকাঠিতে পৌর প্রশাসক ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন বরিশালে ৩০ মামলার আসামি কালা মাসুদ গ্রেপ্তার তজুমদ্দিনে শিক্ষিকার উপর হামলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, দুই দফা মারামারিতে আহত ২ উজিরপুরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঝখানে অটো রাইস মিল, পরিবেশ দূষণে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী গলাচিপায় প্রতিবন্ধীকে মারধর হাসপাতালে ভর্তি বাবুগঞ্জে এনজিওর প্রায় ২০ লাখ টাকা নিয়ে দম্পতি উধাও ঝালকাঠিতে আওয়ামী লীগ-যুবলীগ নেতাসহ ২৫ জনের ৩৩টি অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল বরিশালে পুষ্টি সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ অবসানে চুক্তি স্বাক্ষর করলেন ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট গণমাধ্যম সংস্কার প্রক্রিয়ায় সরকার কেবলই সহায়ক : তথ্যমন্ত্রী

বাবুগঞ্জে এনজিওর প্রায় ২০ লাখ টাকা নিয়ে দম্পতি উধাও

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬
বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি: বরিশালের বাবুগঞ্জে বিভিন্ন এনজিও থেকে স্থানীয়দের নামে ঋণ উত্তোলন করে প্রায় ২০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে এক ভ্যানচালক ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্তরা হলেন বাবুগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের গাজীপুর গ্রামের মো. বাদল (৩৫) ও তার স্ত্রী নাজমিন।
স্থানীয়দের দাবি, গত ১৪ জুন বিকেলে ওই দম্পতি বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বাদল ও নাজমিন এলাকার ২৫ থেকে ৩০ জনের নামে বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ গ্রহণ করান। পরে ঋণের টাকা নিজেদের কাছে রেখে হঠাৎ এলাকা ত্যাগ করেন। এতে অন্তত ৪০টি পরিবার বর্তমানে ঋণের কিস্তির চাপে চরম দুর্ভোগে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকার নারীদের বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে তাদের নামে ঋণ উত্তোলন করতেন। ঋণগ্রহীতাদের মধ্যে কারও নামে ৩০ হাজার, কারও নামে ৬০ হাজার, আবার কারও নামে ৭০ থেকে ৭৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ নেওয়া হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব ঋণ বিভিন্ন এনজিও— গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি (বিডিএস), আশা, সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (এসডিএফ), ব্র্যাকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নেওয়া হয়েছে।
প্রতারণার শিকার কুলসুম বেগম বলেন, নাজমিনের কথায় বিশ্বাস করে আমার ছোট দেবরের স্ত্রীর নামে ছয়টি এনজিও থেকে প্রায় তিন লাখ টাকা ঋণ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু টাকা নিয়ে তারা পালিয়ে গেছে। এখন এনজিও থেকে কিস্তির জন্য আমাদের বাড়িতে আসছে। আমরা খুব বিপদে আছি।
সরেজমিনে কয়েকজন ভুক্তভোগীর সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, বাদল ও নাজমিনের কথায় বিশ্বাস করে তারা ঋণ নিয়েছিলেন। বর্তমানে অভিযুক্তরা আত্মগোপনে থাকায় ঋণের কিস্তি পরিশোধের চাপ তাদের ওপরই পড়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, এ ঘটনায় বহু পরিবার আর্থিক সংকটে পড়েছে এবং এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
তারা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ এবং অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। তবে অভিযুক্ত মো. বাদল ও তার স্ত্রী নাজমিন পলাতক থাকায় এ বিষয়ে তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network