1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
বরিশালে সরকারি পাঠ্যবই বিতরণের পরেও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ১৫শ টাকা করে আদায়! - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বানারীপাড়ায় সলিয়াবাকপুর ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ব্যাপক  আলোচনায় রুহুল আমিন জসিম পিরোজপুরে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের ৭১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন লালমোহন উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভরাডুবির পর আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারেন ট্রাম্প বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ৩ হাজার রোগীর খাবার বন্ধের শঙ্কা দীর্ঘ রাজনৈতিক ত্যাগের পরও অপপ্রচারের শিকার আলবার্ট রিপন বল্লভ এবার তালাক নোটিশ ও কথিত কাবিননামা প্রকাশ করলেন গোলাম মাওলা রনি পাহাড়ে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে গোলাগুলি, সেনাসদস্য গুলিবিদ্ধ জামায়াতের সঙ্গে জোটে আপত্তি, এনসিপি ছাড়ছেন নেত্রীরা স্কুলে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, ৯ শিক্ষার্থীকে টিসি

বরিশালে সরকারি পাঠ্যবই বিতরণের পরেও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ১৫শ টাকা করে আদায়!

  • আপডেট সময় : বুধবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : বরিশালের একটি হিফজ মাদ্রাসায় সরকারি বিনামূল্যের পাঠ্যবই বিতরণ করেও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে ১৫শ’ টাকা করে। শুধু তাই নয়; প্রতিবছর পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও নতুন করে ভর্তি হতে বাধ্য করা হচ্ছে। আর এ সুযোগে আদায় করা হচ্ছে মোটা অঙ্কের অর্থ।

 

বরিশাল নগরীর রূপাতলী হাউজিং এলাকার ১৫ নম্বর রোডের সি ব্লকে অবস্থিত তানজিমুল উম্মাহ নিম্ন মাধ্যমিক ও হিফজ মাদ্রাসা সহ জেলার অধিকাংশ মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন থেকে এ অনিয়মের অভিযোগ উঠলেও বিষয়টি দেখার যেন কেউ নেই অসংখ্য অভিভাবকরা অভিযোগ করে বলেন-কোনো ধরনের সরকারি অনুমোদন না থাকা সত্ত্বেও তানজিমুল উম্মাহ নিম্ন মাধ্যমিক ও হিফজ মাদ্রাসাসহ জেলার অধিকাংশ মাদ্রাসাগুলোতে প্রতিবছর নতুন করে ভর্তি প্রক্রিয়া চালু রাখা হয়েছে। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীকেও পুনরায় ভর্তি হতে বাধ্য করা হয়। এই ভর্তি প্রক্রিয়াকেই অর্থ আদায়ের প্রধান হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে কর্তৃপক্ষ। চলতি বছর তানজিমুল উম্মাহ নিম্ন মাধ্যমিক ও হিফজ মাদ্রাসার হিফজ শাখায় ভর্তি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২৩ হাজার টাকা। এরমধ্যে রয়েছে-সেশন ফি নয় হাজার টাকা, পরীক্ষার ফি ২৪শ’ টাকা, সরকারি শ্রেণির বই, ছয়টি খাতা ও একটি ডায়েরী বাবদ ১৫শ’ টাকা, ম্যাগাজিন ফি পাঁচশ’ টাকা, আইডি কার্ড ফি দুইশ’ টাকা, আদর্শ ফি ১৫শ’ টাকা, মাসিক ফি একসাথে (দুই বছরের) ৩৫শ’ থেকে ৪৫শ’ টাকা। সবমিলিয়ে জনপ্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে ২৩ হাজার টাকা। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে বিতরণযোগ্য পাঠ্যবই সরবরাহ করা হলেও সেই বই দেওয়ার নাম করে নেওয়া হচ্ছে ১৫শ’ টাকা। ভর্তি রশিদে আদায়করা এ অর্থকে বই বাবদ উল্লেখ করা হয়েছে বলেও অভিভাবকরা অভিযোগ করেন। অসংখ্য শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা জানান, চটকদার বিজ্ঞাপন ও প্রচারণায় প্রলুব্ধ হয়ে সন্তানদের ভর্তি করালেও এখন তারা চরম বিপাকে পরেছেন।

 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক অভিভাবকরা বলেন, এই অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বললেই সন্তানের ওপর নির্যাতন, পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়া, এমনকি মাদ্রাসা থেকে বের করে দেয়ার নজির রয়েছে। তাই তারা নাম প্রকাশ কিংবা প্রকাশ্যে কথা বলতে ভয় পাচ্ছেন।

 

এ ব্যাপারে মাদ্রাসার হিফজ শাখার প্রধান মো. মিজানুর রহমান বলেন, এটাতো হিফজ বিভাগ। আমাদের নিম্ন মাধ্যমিক শাখায় আরও বেশি ফি নির্ধারণ করা আছে। সরকারি বই দিয়ে ১৫শ’ টাকা আদায়ের বিষয়টি আমাদের নিয়ম। বইয়ের সাথে খাতা ও ডায়েরি দেওয়া হয়। ভর্তি রশিদে বই বাবদ ১৫শ’ টাকা উল্লেখ করার কথা স্বীকার করে তিনি আরও বলেন-প্রতিবছর শ্রেনী উত্তরনের জন্য শিক্ষার্থীদের নতুন করে ভর্তির বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্ত। অভিভাবকরা জানিয়েছেন-সরকারি অনুমোদনহীন একটি প্রতিষ্ঠান কীভাবে সরকারি বই পায়, আর কীভাবেই বা প্রকাশ্যে এভাবে অর্থ বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে? অভিভাবকরা অবিলম্বে এই অনৈতিক অর্থ আদায়ের তদন্ত করে তা বন্ধসহ দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন।বরিশালের একটি হিফজ মাদ্রাসায় সরকারি বিনামূল্যের পাঠ্যবই বিতরণ করেও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে ১৫শ’ টাকা করে। শুধু তাই নয়; প্রতিবছর পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও নতুন করে ভর্তি হতে বাধ্য করা হচ্ছে। আর এ সুযোগে আদায় করা হচ্ছে মোটা অঙ্কের অর্থ।

 

বরিশাল নগরীর রূপাতলী হাউজিং এলাকার ১৫ নম্বর রোডের সি ব্লকে অবস্থিত তানজিমুল উম্মাহ নিম্ন মাধ্যমিক ও হিফজ মাদ্রাসা সহ জেলার অধিকাংশ মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন থেকে এ অনিয়মের অভিযোগ উঠলেও বিষয়টি দেখার যেন কেউ নেই অসংখ্য অভিভাবকরা অভিযোগ করে বলেন-কোনো ধরনের সরকারি অনুমোদন না থাকা সত্ত্বেও তানজিমুল উম্মাহ নিম্ন মাধ্যমিক ও হিফজ মাদ্রাসাসহ জেলার অধিকাংশ মাদ্রাসাগুলোতে প্রতিবছর নতুন করে ভর্তি প্রক্রিয়া চালু রাখা হয়েছে। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীকেও পুনরায় ভর্তি হতে বাধ্য করা হয়। এই ভর্তি প্রক্রিয়াকেই অর্থ আদায়ের প্রধান হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে কর্তৃপক্ষ। চলতি বছর তানজিমুল উম্মাহ নিম্ন মাধ্যমিক ও হিফজ মাদ্রাসার হিফজ শাখায় ভর্তি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২৩ হাজার টাকা। এরমধ্যে রয়েছে-সেশন ফি নয় হাজার টাকা, পরীক্ষার ফি ২৪শ’ টাকা, সরকারি শ্রেণির বই, ছয়টি খাতা ও একটি ডায়েরী বাবদ ১৫শ’ টাকা, ম্যাগাজিন ফি পাঁচশ’ টাকা, আইডি কার্ড ফি দুইশ’ টাকা, আদর্শ ফি ১৫শ’ টাকা, মাসিক ফি একসাথে (দুই বছরের) ৩৫শ’ থেকে ৪৫শ’ টাকা। সবমিলিয়ে জনপ্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে ২৩ হাজার টাকা। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে বিতরণযোগ্য পাঠ্যবই সরবরাহ করা হলেও সেই বই দেওয়ার নাম করে নেওয়া হচ্ছে ১৫শ’ টাকা। ভর্তি রশিদে আদায়করা এ অর্থকে বই বাবদ উল্লেখ করা হয়েছে বলেও অভিভাবকরা অভিযোগ করেন। অসংখ্য শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা জানান, চটকদার বিজ্ঞাপন ও প্রচারণায় প্রলুব্ধ হয়ে সন্তানদের ভর্তি করালেও এখন তারা চরম বিপাকে পরেছেন।

 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক অভিভাবকরা বলেন, এই অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বললেই সন্তানের ওপর নির্যাতন, পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়া, এমনকি মাদ্রাসা থেকে বের করে দেয়ার নজির রয়েছে। তাই তারা নাম প্রকাশ কিংবা প্রকাশ্যে কথা বলতে ভয় পাচ্ছেন।

 

এ ব্যাপারে মাদ্রাসার হিফজ শাখার প্রধান মো. মিজানুর রহমান বলেন, এটাতো হিফজ বিভাগ। আমাদের নিম্ন মাধ্যমিক শাখায় আরও বেশি ফি নির্ধারণ করা আছে। সরকারি বই দিয়ে ১৫শ’ টাকা আদায়ের বিষয়টি আমাদের নিয়ম। ব ইয়ের সাথে খাতা ও ডায়েরি দেওয়া হয়। ভর্তি রশিদে বই বাবদ ১৫শ’ টাকা উল্লেখ করার কথা স্বীকার করে।

 

তিনি আরও বলেন-প্রতিবছর শ্রেনী উত্তরনের জন্য শিক্ষার্থীদের নতুন করে ভর্তির বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্ত। অভিভাবকরা জানিয়েছেন-সরকারি অনুমোদনহীন একটি প্রতিষ্ঠান কীভাবে সরকারি বই পায়, আর কীভাবেই বা প্রকাশ্যে এভাবে অর্থ বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে? অভিভাবকরা অবিলম্বে এই অনৈতিক অর্থ আদায়ের তদন্ত করে তা বন্ধসহ দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন।

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network