নিজস্ব প্রতিবেদক: বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার ২ নং চারাদি ইউনিয়নে চারাদি গ্রামের ভূমি দস্যু মোকলেস শিকদার ওরফে কসাই মোকলেস এর বিরুদ্ধে একদল সন্ত্রাসী নিয়ে গত ৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরে খলিলুর রহমান ডাকুয়ার সম্পত্তি দখল করার উদ্দেশ্যে অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হামলা করে।
সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে দিবালোকে খলিল ডাকুয়ার ঘর ও দুইটি নাড়ার পালা আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। তাদের ভয়ে কেউ এগিয়ে আসেনি।
এ ঘটনায় পার্শ্ববর্তী চরামদ্দী পুলিশ ক্যাম্পে খবর দিলে পুলিশ এসে আগুন নিভায়।
খলিল ডাকুয়ার মেয়ে মুক্তা সন্ত্রাসীদের বাধা দিতে গেলে সন্ত্রাসীরা এলোপাতাড়ি মারধর ও শ্লীলতাহানি করে, এতে মুক্তার পাজরের হাড় ভেঙে যায় তিনি শেরেবাংলা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সন্ত্রাসীরা খলিল ডাকুয়ার বাসা বাড়ি ভাঙচুর লুটপাট করে আলমারি ভেঙে প্রায় লক্ষাধিক টাকা এবং স্বর্ণের চেইন সন্ত্রাসীরা খুনের উদ্দেশ্যে খলিলকে খুঁজতে থাকেন কিন্তু তিনি জীবন রক্ষার্থে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পার্শ্ববর্তী একাধিক ব্যক্তি বলেন, যে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে একাধিকবার সালিশ বৈঠকে কাগজপত্র পর্যালোচনা করে খলিল ডাকুয়ার পক্ষে বিরোধী সম্পত্তি বুঝিয়ে দেন । কিন্তু মোকলেস সিকদার অবৈধভাবে সম্পত্তির দখল করার উদ্দেশ্যে সন্ত্রাসী ভাড়া করে হামলা করেন। কসাই মোখলেসের দুই ছেলে শুভ ও রুবেলের নেতৃত্বে এলাকায় একটি সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে উঠছে এরা এলাকায় মাদক ব্যবসা সহ বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত।
জানা গেছে, চরামদ্দী পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ এসআই আলমগীর এর সাথে শুভ শিকদারের সুসম্পর্ক থাকায় তারা এসব অপরাধ মূলক কর্মকাণ্ড করে বেড়াচ্ছে ।ইতিপূর্বে তাদের বিরুদ্ধে চরামদ্দী পুলিশ ক্যাম্পে একাধিকবার অভিযোগ দিলেও পুলিশ কোন ব্যবস্থা নেয়নি, যার কারণে চক্রটি দিনে দিনে আরো ভয়ংকর হয়ে উঠছে তাই এদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা না নিলে এলাকার আইনশৃঙ্খলা আরো অবনতি ঘটবে।
উক্ত ঘটনায় গত ৯ ফেব্রুয়ারি বিজ্ঞ অতিরিক্ত চিপ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত বরিশালে খলিল ডাকুয়া মামলা দায়ের করেন। মামলার খবর পেয়ে কসাই মোখলেস থানা পুলিশকে ম্যানেজ করে পাল্টা মামলা করেন। যার জি/আর:৩৪/২৬, মামলা নং ২৬।
এ বিষয়ে খলিল ডাকুয়া বলেন, পুলিশের এসআই আলমগীর এসে আমার বাড়ির আগুন নিভিয়েছেন, সে আবার আমাদের বিরুদ্ধে করা মিথ্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। তাই আমি প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।