1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
অপবিত্র অবস্থায় সেহরি খাওয়া যাবে কি না? - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ঝালকাঠি জেলা কৃষক দল ও সরকারি কর্মচারী সমন্বয়ক পরিষদ নবনির্বাচিত এমপিদের ফুলেল শুভেচ্ছা সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে : বরিশালে তথ্যমন্ত্রী উজিরপুরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার  চাঁদাবাজি মামলা বাণিজ্যের বিরুদ্ধে গ্রামবাসীর মানববন্ধন কলাপাড়ায় অটোরিকশার সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, শিশু দু’জনসহ ৪ জন আহত মহিপুরে কেয়ার মডেল হাসপাতালে হামলা-ভাঙচুর, আতঙ্কে রোগী-কর্মীরা ভেদুরিয়ার মূর্তিমান আতংক মমিন বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ  লালমোহনে ৭ লাখ টাকার অবৈধ জাল জব্দ বরিশালে সাবেক পুলিশ কমিশনারসহ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের সরকারবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে উত্তাল ইরান ড. ইউনূসকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ না হলে বিএনপির পতন হবে : রনি

অপবিত্র অবস্থায় সেহরি খাওয়া যাবে কি না?

  • আপডেট সময় : রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক : সেহরি খেয়ে রোজা রাখা সুন্নত। হাদিসের ভাষায়, সেহরিতে রয়েছে অসংখ্য বরকত ও কল্যাণ। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা সেহরি খাও। কেননা, সেহরিতে বরকত রয়েছে।’ (সহিহ মুসলিম)

রমজান মাসে অনেকেরই এমন পরিস্থিতি হয়—সহবাস বা স্বপ্নদোষের কারণে গোসল ফরজ হয়েছে, কিন্তু সেহরির সময় খুব কম, বা ঘুম থেকে দেরিতে ওঠার কারণে তখনই গোসল করা সম্ভব হয়নি। এ অবস্থায় অনেকের মনে প্রশ্ন আসে: গোসল না করে সেহরি খেলে কি রোজা হবে?

গোসল ফরজ হওয়ার কারণ

সুনির্দিষ্ট চার কারণের যে কোনে একটি সংঘটিত হলেই গোসল ফরজ হয়। তাহলো-

১. জানাবাত থেকে অপবিত্রতা থেকে পবিত্রতা হওয়ার গোসল। এটি নারী-পুরুষের যৌন মিলন, স্বপ্নদোষ বা যে কোনো উপায়ে বীর্যপাত হলে। আল্লাহ তাআলা নির্দেশ দেন-

وَإِن كُنتُمْ جُنُبًا فَاطَّهَّرُواْ

‘আর যদি তোমরা অপবিত্র হও তবে সারা দেহ পবিত্র করে নাও।’ (সুরা : মায়েদা, আয়াত : ৬)

২. মাসিক বন্ধ হওয়ার পর নারীদের পবিত্র হওয়ার জন্য গোসল করা ফরজ।

৩. সন্তান প্রসবের পর নেফাসের রক্ত বন্ধ হলে পবিত্র হওয়ার জন্য নারীদের গোসল করা ফরজ।

৪. আর জীবতদের জন্য মৃত ব্যক্তিকে গোসল দেওয়া ফরজ।

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর পবিত্র জীবন থেকে এ বিষয়ে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা পাওয়া যায়। উম্মুল মুমিনিন হজরত আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেন, রমজান মাসে সহবাসের ফলে ফরজ গোসল অবস্থায় রাসুল (সা.) সুবহে সাদিক অতিবাহিত করতেন। এরপর তিনি গোসল করে রোজা রাখতেন। (সহিহ বুখারি: ১৮২৯)

উম্মুল মুমিনিন হজরত উম্মে সালামা (রা.) থেকেও অনুরূপ বর্ণিত আছে যে গোসল ফরজ অবস্থায় আল্লাহর রাসুল (সা.)-এর ফজরের সময় হয়ে যেত। তখন তিনি গোসল করতেন এবং রোজা পালন করতেন। (সহিহ বুখারি: ১৯২৬)

সব সময়ই মনে রাখতে হবে, গোসল ফরজ হওয়া সত্ত্বেও বিনা ওজরে গোসল না করে অপবিত্র অবস্থায় এক ওয়াক্ত নামাজের সময় অতিবাহিত হয়ে যাওয়া মারাত্মক গোনাহ। এক্ষেত্রে তীব্র লজ্জা কিংবা গোসলের পরিবেশ নাই মনে করা শরিয়তসম্মত ওজর নয়। (বাদায়েউস সানায়ে : ১/১৫১)

عَنْ نَوْفَلِ بْنِ مُعَاوِيَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: ” مَنْ فَاتَتْهُ الصَّلَاةُ فَكَأَنَّمَا وُتِرَ
.أَهْلَهُ وَمَالَهُ

হজরত নওফেল বিন মুআবিয়া (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল ﷺ বলেছেন, যার নামাজ কাজা হয়ে গেল, যেন তার পরিবার ও সম্পদ সবই ধ্বংস হয়ে গেল।

(মুসনাদে আহমাদ : ২৩৬৪২)

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network